সিকৃবি প্রতিনিধি

২০ এপ্রিল, ২০১৫ ১৮:৫১

নববর্ষের অনুষ্ঠানে যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদে সিকৃবিতে মানববন্ধন

নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ জানাতে রাজপথে নেমে এসেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পয়লা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলাকায় ঘটে যাওয়া বেশ কিছু যৌন নিপীড়নের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে ছাত্রীদের নেতৃত্বে মাঠে নেমেছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ।

নারীদের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদে সোমবার বেলা সাড়ে বারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকসাইড ঘেষে প্রজন্ম চত্বরে বিভিন্ন অনুষদের ছাত্রী ও শিক্ষিকারা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) প্রফেসর ড. মো: মতিয়ার রহমান হাওলাদার, প্রক্টর ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো: আব্দুল বাসেত সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রগতিশীল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও ছাত্ররা তাদের সাথে যোগ দেয় বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির নারী নির্যাতনের বর্বর ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে তাঁদের ফাঁসির দাবী করা হয়। ‘হোক প্রতিবাদ’ লেখা ব্যানার হাতে নিয়ে তাঁরা শ্লোগান দেন।

এ প্রসঙ্গে আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক পলা সমাজপতি বলেন, ‘প্রতিবাদ চলছে এবং এটা চলতেই থাকবে। আমরা এই আন্দোলন অব্যাহত রাখতে চাই। আগে বাংলাদেশি মেয়েদের এসিড দেওয়া হতো। আন্দোলন করে এটা এখন বন্ধ হয়েছে। পয়লা বৈশাখে ও বিশেষ উৎসবগুলোতে হরহামেশাই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। এই ধারাবাহিকতা চলতে দেওয়া যায় না। এভাবে চলতে দিলে অপরাধীরা উৎসাহী হবে।’

পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) প্রফেসর ড. মো: মতিয়ার রহমান হাওলাদার বলেন “নারী নির্যাতন ও ইভ টিজিং রোধে সবার আগে পারিবারিক শিক্ষা ঠিক করতে হবে। ঘর থেকে ছেলে মেয়েদের সঠিক শিক্ষা না দিলে তারা বখাটে হয়ে যায়।” তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্রীদের পাশে থেকে সমর্থন দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ।

প্রক্টর প্রফেসর ড. মো: আব্দুল বাসেত বলেন, ‘যে ঘটনা নরপুরুষরা ঘটিয়েছে তা মেনে নেওয়ার মতো না। বিচার না হলে ভবিষ্যতে তারা এ ধরনের কাজ আবারও করবে। সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে সম্পর্কে আমরা সজাগ রয়েছি।’

আপনার মন্তব্য

আলোচিত