Advertise

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৩ মে, ২০২০ ১১:০৬

পাকিস্তানে বিমান বিধ্বস্তে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৭

আবাসিক এলাকায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বেড়ে যাওয়ার তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার ৯৯ আরোহী নিয়ে বিমানটি জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে করাচি মডেল কলোনির ওপর বিধ্বস্ত হয়। ল

প্রাদেশিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাতে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এই ঘটনায় ৯৭ জনের মৃত্যু ও দুই আরোহীর বেঁচে যাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তবে আবাসিক এলাকাটির কেউ হতাহত হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে পারেনি সংবাদমাধ্যমটি।

করোনাভাইরাস লকডাউনের মধ্যে ঈদকে সামনে রেখে সম্প্রতি বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালুর অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান। শুক্রবার লাহোর থেকে ছেড়ে যায় পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের (পিআইএ) এ৩২০ মডেলের বিমানটি। করাচি বিমানবন্দরে অবতরণের কিছু সময় আগে এটি বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলের যেসব ছবি সামনে এসেছে তাতে আবাসিক এলাকাটির বাড়িঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা গেছে।

সিন্ধু প্রদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র মিরান ইউসুফ জানিয়েছেন, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ৯৭ জনের মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আর অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন বিমানের দুই আরোহী। এদের একজন ব্যাংক অব পাঞ্জাবের প্রেসিডেন্ট জাফর মাসুদ। অপরজনের নাম জুবায়ের। তাদের সিভিল হাসপাতাল ও দারুল সেহাত হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।

মিরান ইউসুফ জানান, নিহতদের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হচ্ছে। শুক্রবার রাত পর্যন্ত ১৯টি মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে ৬০টি মরদেহ করাচির জিন্নাহ পোস্টগ্রাজুয়েট মেডিক্যাল সেন্টারে (জেপিএমসি), এবং ৩২টি সিভিল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পাঁচটি মরদেহ তখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এর আগে জেপিএমসি’র নির্বাহী পরিচালক সিমিন জামালি জানান, পরিচয় নিশ্চিত হওয়া পাঁচটি মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদের মধ্যে বিধ্বস্ত বিমানটির পাইলট ক্যাপ্টেন সাজ্জাদ গুলও রয়েছে।

হাসপাতালটির কর্মকর্তারা জানান, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়া একজনকে তাদের হাসপাতালে আনা হলে তাকে বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। পুড়ে যাওয়া ওই ব্যক্তি করাচি মডেল কলোনির বাসিন্দা। ওই এলাকাতেই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত