২০ মার্চ, ২০১৫ ০০:৩৫
পরীক্ষায় নকল কিংবা প্রতারণার মাধ্যমে পাস করা ভারতের বিহার রাজ্যের সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও পরীক্ষা কেন্দ্রের মধ্যে পাঠ্যবই এবং নোট পাচারের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে মাধ্যমিক স্কুল পরীক্ষা। ১৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ পরীক্ষা চলবে ২৪ মার্চ পর্যন্ত। জানা যায়, পরীক্ষায় প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থি অংশ নিচ্ছে। খবর সূত্র বিবিসি।
পরীক্ষাকেন্দ্রে এ রকম প্রতারণার বিষয়টি সাহর্ষ, চাপারা, বৈশালি এবং হরিপুর জেলার মধ্যে সম্পাদিত হচ্ছে বলে অভিযোগ।
স্থানীয় পত্র-পত্রিকাগুলোর রিপোর্ট অনুসারে জানা যায়, এসব প্রতারণার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থিদের পিতা-মাতা এবং আত্মীয়স্বজন যারা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হলেও দেয়াল টপকে পরিক্ষার্থিদের মধ্যে নকল সরবরাহ করছে।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, শিক্ষার্থিরা এক প্রকার প্রকাশ্যে নকল করে পরীক্ষা দিচ্ছে কিন্তু এ নিয়ে তাদের মধ্যে কোন ভাবান্তর নেই। এমনকি বাঁধা দেওয়ার জের ধরে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গেও শিক্ষার্থিদের অভিভাবকদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
কর্মকর্তারা জানান- তারা স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা গ্রহণের জন্যে কেন্দ্রগুলোতে ‘ফ্লাইং স্কোয়াড’ মোতায়েন করেছে যারা হঠাত পরিদর্শনের কাজে নিয়োজিত।
তারা জানান, কমপক্ষে ৪০০ পরীক্ষার্থিকে নকল করার দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা এও যোগ করেন সরকার পরীক্ষায় নকল বন্ধ করতে পারবে না যদি অভিভাবকেরা সহযোগিতা না করেন।
ইণ্ডিয়া টাইমসের সঙ্গে আলাপচারিতায় হতাশা হয়ে বিহারের শিক্ষামন্ত্রী পিকে শাহী জানান- সরকার কী করতে পারে পরীক্ষায় নকল প্রবণতা রুখতে। সরকার কী তাদের গুলি করবে?
আপনার মন্তব্য