২৫ ডিসেম্বর, ২০১৫ ০১:৫৩
শুক্রবার ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)।
দিনটি ইসলাম ধর্মের মহানবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.) এর জন্ম ও ওফাত দিবস হিসেবে পালিত হয়ে থাকে। বিশ্বের অন্যান্য স্থানের মতো বাংলাদেশেও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় দিবসটি উদ্যাপিত হবে।
বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়সহ শান্তিকামী প্রত্যেক মানুষের কাছে দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
দিনটি পালনে বিভিন্ন সংগঠন কর্মসূচি নিয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে আছে- মহানবী (সা.) এর পূর্ণাঙ্গ জীবন নিয়ে আলোচনা, সমাবেশ, মিলাদ মাহফিল, মোনাজাত এবং ধর্মীয় শোভাযাত্রা।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাণী দিয়েছেন। ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে শুক্রবার সরকারি ছুটি।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বৃহস্পতিবার থেকে পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে।
এর মধ্যে আছে- ওয়াজ মাহফিল, সেমিনার, ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি ও মহানবী (সা.) জীবনভিত্তিক পোস্টার ও গ্রন্থ প্রদর্শনী, ইসলামী বই মেলা, ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, ক্বিরাত ও হামদ-না’থ মাহফিল এবং রাসূল (সা.) শানে স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ২৪ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বাদ মাগরিব থেকে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব চত্বরে ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৪টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ও বিএনপির উদ্যোগে বাদ আসর নয়াপল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও জাতীয় প্রেসক্লাবে বাদ আসর জাতীয় প্রেসক্লাব কনফারেন্স লাউঞ্জে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের ওপর আলোচনা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে।
আপনার মন্তব্য