২৯ আগস্ট, ২০২৩ ১৬:০২
আদালতের নির্দেশনার কপি পেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যের কনটেন্ট সামাজিকমাধ্যম থেকে সরাতে নিজেদের ক্ষমতা কাজে লাগাবেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সচিবালয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণা এবং অবৈধ ও যাচাইবিহীন আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে তারেকের বক্তব্যের কনটেন্ট সরানোর অনুরোধ জানানো হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্প্রতি দেয়া সব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সরাতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল দুনিয়ায় কোনটা তালা মেরে দেয়া সম্ভব আর কোনটা খোলা থাকে সে বিষয়টি আরও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আলোচনা করতে হবে। আদালত তাদের নির্দেশ দিয়েছে, আমরা আমাদের দিক থেকে আদালতে নির্দেশের কপি হাতে পাওয়ার পর থেকে আমাদের যেটুকু ক্ষমতা আছে, আমরা আমাদের সেই ক্ষমতাটুকু কাজে লাগাবো।
তিনি বলেন, যেসব প্ল্যাটফর্মে আদালতের নির্দেশ অনুসারে কনটেন্ট সরানো দরকার আমরা তাদেরকে জানাবো যে আদালত তোমাদেরকে বলেছে এই কনটেন্ট সারানোর জন্য। আমাদের অভিজ্ঞতা যেটুকু, সেটুকু হচ্ছে আদালত যদি বলে কনটেন্ট সরাতে হবে সচরাচর সোশ্যাল মিডিয়া যে কয়টা আছে তারা এগুলোকে অস্বীকার করার মতো মানসিকতায় চলে না। যতটুকু সম্ভব তারা আদালতকে সম্মান দেয়ার চেষ্টা করে।
সাইবার জগত নিয়ে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সেটা অনেক বেশি কিনা; প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, চ্যালেঞ্জটা হঠাৎ করে আজকেই জেগে উঠেছে, এটি মনে করার কোনো কারণ নেই। আমরা যখন থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলেছি, যখন থেকে আমাদের জীবন ধারা ডিজিটাল করার চেষ্টা করেছি, সেই সময় থেকেই আমাকে ডিজিটাল জগতে বসবাস করার জন্য যে সক্ষমতা অর্জন করা দরকার, যেই নিরাপত্তা দরকার ও যে ধরনের প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া দরকার, সেগুলো আমাদের নিয়ে আসতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সে কারণে আপনারা লক্ষ্য করেছেন, আমরা কোনোকালে খোঁজও রাখতাম না, কার ফেসবুকে, ইউটিউব কিংবা টিকটকে কী আছে। এখন আমরা সব স্তর থেকে প্রতিটি বিষয় মনিটরিং করে সে সম্পর্কে ব্যবস্থা গ্রহণে যা যা করা দরকার, সবগুলোই আমরা করি। সে ক্ষেত্রে লক্ষ্য করেছি, যখন শুরু করেছিলাম, তখন যে জ্ঞানের অবস্থা ছিল, এখন তার তুলনায় অনেক ভালো অবস্থায় আছি। প্রযুক্তিগত দিক থেকেও আমরা সক্ষম হয়েছি।
আপনার মন্তব্য