সিলেটটুডে ডেস্ক

১৮ অক্টোবর, ২০২৩ ১২:৫৫

ওমরাহ যাত্রীদের জন্য ৫ নির্দেশনা

সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতে ওমরাহ পালনকারীদের প্রতি বেশ কিছু নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। এসব নির্দেশনা ওমরাহ যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোকে মেনে চলতে হবে। সম্প্রতি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছে সৌদি আরবের জেদ্দার বাংলাদেশ হজ অফিস।

চিঠিতে বলা হয়, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক পবিত্র ওমরাহ পালনে সৌদি আরবে আসেন। সৌদি হজ ও ওমরা মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত বছর এ সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখেরও বেশি। বিশাল সংখ্যক বাংলাদেশি ওমরাহ পালনে আসলেও তাদের আসা-যাওয়া বা ওমরা পালন শেষে দেশে ফেরত যাওয়া না যাওয়ার কোনো সঠিক হিসাব বা তথ্য সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা বা পদ্ধতি চালু নেই। কেবল সৌদি আরবে অসুস্থ হলে বা হারিয়ে গেলে অথবা মারা গেলে তাদের বিষয়টি জেদ্দার বাংলাদেশ হজ অফিসকে অবহিত করা হয়। কোনো ওমরাহ যাত্রী সমস্যা বা বিপদগ্রস্ত হলে জেদ্দার হজ অফিসকেই এগিয়ে আসতে হয়। সঠিক তথ্য না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না। সেজন্য এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

নির্দেশনাগুলো হল-

১। বাংলাদেশ থেকে ওমরাহ পালনে গ্রুপভিত্তিকভাবে আসতে হবে। গ্রুপের সঙ্গে এজেন্সির অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রতিনিধি বা গাইড সৌদি আরবে আগমন করবেন। সৌদি আরবে অবস্থানের সময় বিশেষ করে হারাম শরিফে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে বা কোথাও জিয়ারত বা মার্কেট অথবা অন্য গ্রুপভিত্তিক চলাচল করতে হবে।

২। বর্তমান নিয়মানুযায়ী, ওমরাহ যাত্রী সৌদি আরবে আসার আগেই তার হোটেল নির্ধারিত হয়ে যায়। ফলে প্রত্যেক ওমরাহ যাত্রীকে বাংলাদেশের এবং সৌদি আরবের ওমরাহ এজেন্সির নাম, মোবাইল নম্বর, হোটেলের নাম ও ঠিকানাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সম্বলিত আইডি কার্ড প্রদান করতে হবে এবং তা সঙ্গে রাখার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করতে হবে। কোনোভাবেই আইডি কার্ড ছাড়া বাইরে যাওয়া যাবে না।

৩। ওমরাহ পালনের ক্ষেত্রে শারীরিক সুস্থতাও গুরুত্বপূর্ণ। ওমরাহপালনকারীকে অবশ্যই মেডিকেল চেকআপে করাতে হবে।
বয়স্ক বা শারীরিকভাবে অসুস্থ ওমরাহযাত্রীদের নিজস্ব লোক সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।

৪। বাংলাদেশি ওমরাহ এজেন্সির সঙ্গে স্থানীয় সৌদি ওমরাহ কোম্পানির মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী তালিকা জেদ্দার হজ অফিসে পাঠাতে হবে। ওমরাহ পালন এবং স্থানীয় সৌদি নিয়মাবলী সম্পর্কে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করা একান্ত জরুরি। ব্যাগে মালামাল বহনের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

৫। ওমরাহ পালন ও স্থানীয় সৌদি নিয়ম সম্পর্কে যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি। ব্যাগে মালামাল বহনের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সৌদি আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ মালামাল বহন করা যাবে না। দেশে ফেরত যাওয়ার সময় মূল্যবান জিনিসপত্র কেনার রশিদ সঙ্গে রাখতে হবে। ৬০ হাজার সৌদি রিয়াল বা এর বেশি নগদ অর্থ স্বর্ণালঙ্কার বা অন্য কোনো মূল্যবান জিনিসপত্র থাকলে তা সৌদি কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে নিয়ম মেনে জানাতে হবে। পরিচিত বা অপরিচিত কোনো ব্যক্তির মালামাল ভালোভাবে পরীক্ষা না করে বহন করা যাবে না।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত