৩০ মার্চ, ২০১৬ ১৫:৪৯
কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ধর্ষণের পর হত্যার শিকার সোহাগী জাহান তনু হত্যার তদন্ত প্রক্রিয়ায় আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সেনাসদর বলেছে, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হোক এটাই প্রত্যাশা।
মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এসব কথা বলে সেনাসদর।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সোহাগী জাহান তনুর বাবা মো. ইয়ার হোসেন ৩০ বছর ধরেত কুমিল্লা সেনানিবাস ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের একজন বেসামরিক কর্মচারী। তিনিও সেনাপরিবারেরই সদস্য। তনুকেও সেনাবাহিনীর পরিবারের সন্তান হিসেবে উল্লেখ করে এতে বলা হয়, ‘তনু কুমিল্লা সেনানিবাসে বড় হয়েছে, ও আমাদেরই সন্তান।’
আইএসপিআর থেকে পাঠানো ওই বিবৃতিতে বলা হয়, তনুর মর্মান্তিক মৃত্যুতে প্রতিটি সেনাসদস্য দারুণভাবে ব্যথিত ও মর্মাহত।’
সেনাবাহিনী জনসাধারণেরই অংশ এবং দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল উল্লেখ করে এতে বলা হয়, সেনাবাহিনীও প্রত্যাশা করে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হোক।
গত ২০ মার্চ রাত আনুমানিক ১১টায় কুমিল্লা সেনানিবাসের সীমানা সংলগ্ন এলাকায় সোহাগী জাহান তনুর মৃতদেহ পাওয়া যায়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
কিছু স্বার্থান্বেষী মহল এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনী সম্পর্কে অনুমান নির্ভর বক্তব্য দিচ্ছেন ও প্রচার করছেন এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছাড়ানোর চেষ্টা করেছেন উল্লেখ করে তনু হত্যার ব্যাপারে সকলের দায়িত্বশীল বক্তব্য প্রদান ও সংবাদমাধ্যমে দায়িত্বশীল বক্তব্য প্রচার একান্তভাবে কাম্য বলে জানানো হয় বিবৃতিতে।
এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তদন্ত প্রক্রিয়ায় আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘটনায় দেশের প্রচলিত আইনানুযায়ী তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। এরই মধ্যে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, আইন ও সালিশ কেন্দ্র এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তনুর পরিবারের সাথে সাক্ষাত করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী প্রথম থেকেই আন্তরিকতার সাথে সকল তদন্তকারী সংস্থাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে আসছে।
আপনার মন্তব্য