সিলেটটুডে ডেস্ক

০৯ এপ্রিল, ২০১৬ ১৯:০১

তনু হত্যা: ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সিইওকে জিজ্ঞাসাবাদ

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সিইও মো. মনিরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সিআইডি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে নেয়া হয়।

সিআইডি কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, তনু হত্যা মামলার তদন্তের স্বার্থে দ্বিতীয় ধাপে তৃতীয়বারের মতো ক্যান্টনম্যান্ট বোর্ডের সিইও মনিরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর আরো দু’একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে কি বলা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

তনু হত্যা মামলা তদন্ত সহায়ক দলের প্রধান সিআইডি ঢাকার বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ পিপিএম এর নেতৃত্বাধীন তদন্ত দল সিইও মনিরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বলেও জানা গেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে কুমিল্লা ও নোয়াখালী বিভাগের সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার ড. নাজমুল করিম খান, সিআইডি ঢাকার সিনিয়র এএসপি এহসান উদ্দিনসহ আরো একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তনুর মৃতদেহ পাওয়া যায়। তাকে হত্যা করে মৃতদেহ ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পরদিন তনুর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

৩১ মার্চ সন্ধ্যায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) থেকে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে মামলাটি তারাই তদন্ত করছে।

ঘটনা তদন্তে র‌্যাব ও পুলিশসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা মাঠে নামে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে সারাদেশে চলছে বিক্ষোভ। তবে সপ্তাহ খানেক পর সেনা সদর দপ্তর থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, তারাও তনুর ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত। এ ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করারও আশ্বাস দেয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে অনুমান করলেও তনুর প্রথম ময়নাতদন্ত রিপোর্টে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে। ঠিক কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কিছু না বলায় প্রতিবেদন নিয়েও সমালোচনা হয়েছে।

অবশ্য এরই মধ্যে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে মরদেহ তুলে নমুনা নেয়া হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তারা সেই প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষায় আছেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত