১৬ জুলাই, ২০১৬ ১৯:৫৫
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, দেশে সন্ত্রাসী হামলা ঠেকাতে ও জনগণের নিরাপত্তা দিতে সরকার সব দিক থেকেই ব্যর্থ হয়েছে। দেশের মানুষ হত্যার শিকার হচ্ছেন। বিদেশিদের গলা কেটে হত্যা করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ আজ অনিরাপদ। এর চেয়ে লজ্জার কী আছে! শনিবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
এ সময় এরশাদ বলেন, সরকার জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমার শাসনামলে এমন হত্যা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হয়নি। তাই দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে দরকার জাতীয় পার্টির সরকার। আমরা ক্ষমতায় গেলে দেশে শান্তি ফিরে আসবে। যতদিন শান্তি ফিরে আসবে না, ততদিন সমাবেশ চলবে বলেও মত প্রকাশ করেন এরশাদ। সমাবেশে তিনি জঙ্গিবাদ রুখতে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে একসঙ্গে আলোচনায় বসার আহবান জানান।
সমাবেশে জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ, দেশে কী কারণে এমন নৃশংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হচ্ছে তা খুঁজে বের করার আহ্বান জানান। গুলশান হামলায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা উল্লেখ করে পুলিশকে ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি পুলিশের সেবা কার্যক্রম প্রসারিত করাসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
রওশন এরশাদ বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক ঘাটতি রয়েছে। একে অন্যের সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধন দুর্বল। সামাজিক বেষ্টনী নেই, তা তৈরি করতে হবে। এসবের ফাঁকে বিপথগামীরা ঢুকে যায়। ফলে দেশে হত্যাযজ্ঞসহ নানা সন্ত্রাসী অপকর্মের ঘটনা ঘটে। গোয়েন্দা বিভাগকেও আরও শক্ত ভূমিকা রাখতে হবে।
জাতীয় পার্টির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী এবং জাতীয় পার্টির সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, বক্তব্য দেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সাইদুর রহমান টেপা, কাজী ফিরোজ রশিদ, জিয়াউদ্দিন বাবলু, প্রতিমন্ত্রী মশউর রহমান রাঙ্গা প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য