১৬ জুলাই, ২০১৬ ২১:১২
ইতালির পর্যটন কেন্দ্র ভেনিস থেকে সম্প্রতি আইএস সন্দেহে মাহমুদ হাসান নামে এক বাংলাদেশীকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে ইতালি ইমিগ্রেশন পুলিশ। তিনি ভেনিস জুলিয়া ফুরলির বালনিয়েরে গ্রাদো শহরে বসবাস করতেন।
ইতালির স্থানীয় সংবাদপত্র ইল জার্নালে বলা হয়েছে, মাহমুদের ইসলামিক চরম পন্থীদের সাথে সম্পৃক্ততার খবর রয়েছে। বাংলা কমিউনিটি ইসলামিক স্টেট নেটওয়ার্কের সাথে তার সম্পর্ক ছিল। এছাড়াও সে ব্রিটেনে ও স্পেনে তার যোগাযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের সুত্রে জানা গেছে ওই যুবক দীর্ঘ ৮ বছর ধরে ভেনিসে চাকরী সুত্রে বৈধ ভাবে বসবাস করছেন। সম্প্রতিকালে সে দেশ থেকে ছুটি কাটিয়ে ইতালিতে ঢোকার সময় বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। জানা যায় তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ অথবা মামলাও নেই। পুলিশের ধারনা ধীরে ধীরে সে আইএস জাতীয় সংগঠনের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। যার ফলে তাকে পূণরায় ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তার ইতালিয় ডকুমেন্ট হিসেবে (কার্তা দি সোজর্ণ) অথাৎ লং প্রিয়ড থাকার অনুমতি পত্রও বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে ইতালি পুলিশের একটি বিশেষ বাহিনী (পোলিজিয়া পোসতালে) দীর্ঘ দিন তার উপর নজর দারি করে রাখেন। প্রশাসনের ধারনা সে আইএস বা এ জাতীয় কোনো সংগঠনের সাথে সরাসরি যুক্ত না হলেও ফেসবুক আইডির মাধ্যমে আইএস সমর্থকদের বিভিন্ন প্রচারনায় সে নিয়মিত ‘লাইক’ দিতেন।
এ ব্যাপারে ভেনিস প্রবাসী সাংবাদিক পলাশ রহমান বলেন, অনেক প্রবাসী আছেন শুধুমাত্র কৌতুহল বসত অথবা ধর্মীয় দূর্বলতা থেকে না বুঝে অনিরাপদ সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে থাকেন। তাদের অধিক সতর্কতার সাথে ফেসবুক বা অন্যান্য সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ জানান।
উল্লেখ্য সম্প্রতি গুলশানে ৯ জন ইতালিয় নাগরিক জঙ্গি হামলায় নিহতের ঘটনায় ইতালির বিভিন্ন শহরে চলছে কড়াকড়ি নিরাপত্তা। সে কারনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সত’ক থাকতে হচ্ছে।
আপনার মন্তব্য