সিলেটটুডে ডেস্ক

২২ জানুয়ারি, ২০১৭ ১৯:৫৩

তিন বছর আগে নাসরিনকে বিয়ে করেছিলেন সানি!

তিন বছর আগে নাসরিন সুলতানাকে বিয়ে করেন ক্রিকেটার আরাফাত হোসেন সানি। বিয়ের পর গত বছর তাকে নিয়ে থাইল্যন্ড বেড়াতে যান তিনি। তবে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ৭ বছরের।  এমনটি জানয়িছেনে ইমরুলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার বাদী নাসরিন সুলতানা।

তথ্য প্রযুক্তি আইনের এই মামলায় রোববার সানিকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

নাসরিন সুলতানা জানান, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর কুনিপাড়ায় বোনের বাসায় সানি কাজী ডেকে এনে বিয়ে করেন। বিয়েতে সানির বন্ধু মনজুর হোসেন ও শরিফ উপস্থিত ছিলেন।

রোববার আদালতে আরাফাত সানির সঙ্গে বিয়ের একটি কাবিননামা দাখিল করেছেন মামলার নাসরিন সুলতানা।

ঢাকার মহানগর হাকিম প্রণব কুমার হুইয়ের আদালতে নাসরিন সুলতানার আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জুয়েল এ কাবিননামা দাখিল করেন।

কাবিননামায় দেখা যায়, পাঁচ লাখ এক টাকা দেনমোহরে ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর আরাফাত সানির সঙ্গে নাসরিনের বিয়ে হয়। বিয়ে পড়ানোর স্থান দেখানো হয়- মেরাদিয়া, থানা- খিলগাঁও, জেলা- ঢাকা।

এ ছাড়া বিয়ের সময় আরাফাত সানির বয়স দেখানো হয়েছে ২৮ বছর আর কনের বসয় দেখানো হয় ২১ বছর।  বিয়ের কাজী ছিলেন মো. দেলোয়ার হোসেন।

বিয়েতে কনের উকিল বাবা ছিলেন আমিন বাজারের চানপুর এলাকার মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. মঞ্জুর হোসেন। তাঁর সাক্ষী ছিলেন দুজন। একজন হলেন, রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার ৩২ সাউথ বানিপাড়া এলাকার শফিক উদ্দিনের ছেলে সোহরাব হাফিজ। অন্যজন তেজগাঁওয়ের ৩৯/১ সাউথ কুনিপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে সাহিদ হাসান।

বিয়ের শর্তাদির মধ্যে রয়েছে- সময়োপযোগী ভদ্রোচিতভাবে আরাফাত সানিকে মাসিক খোরপোশ দিতে হবে।

এ ছাড়া স্বামী-স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ক্ষমতাও অর্পণ করেছেন। শর্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে, স্বামী নিরুদ্দেশ, পুরুষত্বহীন, চরিত্রহীন কিংবা বনিবনা না হইলে বিবি যখন ইচ্ছে করবে নিজ নসফের প্রতি বায়েন তালাক গ্রহণ করতে পারবেন।

বিয়ের সময় দুজন সাক্ষীর নামও দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন ৩২ সাউথ কুনিপাড়ার রূপা ইসলাম এবং আমিনবাজারের সরদারবাড়ির আনোয়ারুল হক শরীফ।

নাসরিন সুলতানার করা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় আজ সকালে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে সানিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে একদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।

তবে বিয়ের কথা অস্বীকার করে আরাফাত সানির মা নার্গিস আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার ছেলের তদন্ত কর। ওই মেয়ের তদন্ত কর। তোমাদের কাছে অনুরোধ। এই মেয়েটা কী। সানির কী হয় ওই মেয়েটা? মামলা দিল। মেয়েটা তো ভালো না। মেয়েটার কোয়ালিটি খারাপ। মেয়েটা এগুলো করে খায়। কত লাখ টাকা মেয়েটা থানায় দিয়েছে।’

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও অঞ্চলের উপকমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার জানান, ৫ জানুয়ারি নাসরিন সুলতানা নামের এক তরুণী সানির বিরুদ্ধে মামলা করেন। তাঁর দাবি, সানির সঙ্গে তাঁর বৈবাহিক সম্পর্ক আছে। তাঁদের অন্তরঙ্গ কিছু ছবি সানি ফেসবুকসহ বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত