নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬ আগস্ট, ২০১৭ ২৩:১৮

তসলিমা নাসরিনের জন্মদিন উদযাপন করেছে ‘তসলিমা পক্ষ’

নির্বাসিত নারীবাদী সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিনের জন্মদিন উদযাপন করেছে ‘তসলিমা পক্ষ’ নামের একটি সংগঠন।

শুক্রবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর পল্টনের মুক্তিভবনে তসলিমা নাসরিনের এ জন্মদিন উদযাপন আয়োজনের মধ্যে ছিল কেক কাটা, আলোচনা সভা।

১৯৬২ সালের ২৫ আগস্ট বাংলাদেশের ময়মনসিংহে জন্ম নেওয়া তসলিমা নাসরিন তাঁর লেখালেখির কারণে নব্বই দশকে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। লেখালেখির পাশাপাশি একাডেমিক ডিগ্রী অর্জন করেন চিকিৎসা বিজ্ঞানে।

কবি দাউদ হায়দারের পর তসলিমা নাসরিন হচ্ছেন দ্বিতীয় সাহিত্যিক যিনি কেবল লেখালেখির কারণে দেশ ছাড়েন।

জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী ইমতিয়াজ মাহমুদ, উইমেন চ্যাপ্টারের সম্পাদক সুপ্রীতি ধর, শ্রাবণ প্রকাশনীর প্রকাশক রবিন আহসান, রাহাত মুস্তাফিজ, বীথি হক, নাহিদ সুলতানা, শতাব্দী ভব, সৈকত আমিন সহ আরও অনেকে।

আলোচনা সভায় বক্তারা তসলিমা নাসরিনের নির্বাসিত জীবন সমাপ্তিতে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, নিষিদ্ধ নামটিই আজ আমরা বারবার উচ্চারণ করেছি। কারণ এই নিষিদ্ধ নামেই আমরা আমাদের শক্তি খুঁজে পাই, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পাই।

উল্লেখ্য, তসলিমা নাসরিন সাহিত্যে জগতে প্রবেশ সত্তর দশকের শেষভাগে কবিতা লেখার মধ্য দিয়ে। ১৯৮১ সালে প্রথম কবিতা সংকলন প্রকাশ করেন যার নাম শিকড়ে বিপুল ক্ষুধা।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে, শিকড়ে বিপুল ক্ষুধা, ১৯৮১; নির্বাসিত বাহিরে অন্তরে, ১৯৮৯; আমার কিছু যায় আসে না, ১৯৯০; অতলে অন্তরীণ, ১৯৯১; বালিকার গোল্লাছুট, ১৯৯২; বেহুলা একা ভাসিয়েছিল ভেলা, ১৯৯৩; আয় কষ্ট ঝেঁপে, জীবন দেবো মেপে, ১৯৯৪; নির্বাসিত নারীর কবিতা, ১৯৯৬; জলপদ্য, ২০০০; খালি খালি লাগে, ২০০৪; কিছুক্ষণ থাকো, ২০০৫; ভালোবাসো? ছাই বাসো!, ২০০৭; বন্দিনী, ২০০৮।

নির্বাসিত এ সাহিত্যিক বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় লেখালেখির পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সাময়িকী এবং পত্রপত্রিকায়ও নিয়মিতভাবে লিখছেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত