সিলেটটুডে ডেস্ক

০১ মার্চ, ২০১৮ ১৪:০২

ইলিশের অভয়াশ্রমে দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ

ফাইল ছবি

জাটকা রক্ষা ও ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মার্চ-এপ্রিল এই দুই মাস চাঁদপুরসহ দেশের ৭টি অভয়াশ্রম এলাকায় দুই মাস মাছ আহরণ, পরিবহন, বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

জাতীয় মৎস্য সম্পদ ইলিশ মাছ ও এর পোনা জাটকা রক্ষা কল্পে সরকার মার্চ-এপ্রিল দুই মাস মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ২৯০ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। মৎস্য সংরক্ষণ আইন-১৯৫০-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী মৎস্য অধিদপ্তর ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

পাশাপাশি এ সময়ের মধ্যে অভয়াশ্রম-সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাছ কেনাবেচা, মজুদ ও পরিবহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ইলিশ সম্পদের উন্নয়ন ও জাটকা রক্ষায় প্রতিবছরই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য জেলেরা সরকারিভাবে সহযোগিতা পেয়ে থাকেন।

নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত ইলিশ অভয়াশ্রমগুলো হলো চাঁদপুরের ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর অ্যালেক্সান্ডার পর্যন্ত মেঘনা নদীর নিম্ন অববাহিকার ১০০ কিলোমিটার, ভোলার মদনপুর চর ইলশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনা নদীর শাহবাজপুর চ্যানেলের ৯০ কিলোমিটার এবং ভোলার ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালীর চর রুস্তম পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর ১০০ কিলোমিটার এলাকা।

চাঁদপুরের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল বাকী জানান, চাঁদপুরের মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলায় ৫১ হাজার ১৯০ জন তালিকাভুক্ত জেলেকে এই দুই মাস বিকল্প কর্মসংস্থান হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে সেলাই মেশিন, গবাদি পশুসহ অন্যান্য সমাগ্রী দেওয়া হবে।

যদি কেউ এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ আহরণ করে, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে দুই হাজার টাকা জরিমানা, দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে বলে মৎস্য কর্তৃপক্ষ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত