১৯ মার্চ, ২০১৮ ১৫:২৮
নতুন দেশ ঘোরার নেশায়, অবসর কাটাতে, মধুচন্দ্রিমায়, অফিস বা ব্যবসার কাজে এরকমই নানা উদ্দেশ্য নিয়ে ভিনদেশে গিয়েছিলেন তারা। এই এক সপ্তাহের মধ্যে সবার হয়তো নিজের ঠিকানায় ফিরে আসারও কথা ছিল। তবে এখন ফিরছেন লাশ হয়ে।
নেপালে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে আজ সোমবার (১৯ এপ্রিল) ঢাকায় আনা হচ্ছে ২৩ জনের মরদেহ। তাদের কফিন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি কার্গো বিমানে করে আনা হচ্ছে।
সোমবার (১৯ মার্চ) বেলা ২টার সময় নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দর থেকে বিমানটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেছে।
তাদের কফিন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যে বিমানে আনা হচ্ছে তার নম্বর ৩০৩১।
এর কিছুক্ষণ আগে নিহতদের স্বজনদের নিয়ে ইউএস-বাংলার আরেকটি বিমান ঢাকার পথে রওনা দিয়েছে।
এর আগে সোমবার সকালে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নেপাল থেকে ২৩ বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহবাহী বিমানটি বেলা ৩টায় হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে। বিমানবন্দর থেকে মরদেহের কফিনগুলো সরাসরি আর্মি স্টেডিয়ামে নেওয়া হবে। সেখানে বিকাল ৪টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
যে ২৩ জনের লাশ দেশে আসছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন- পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশীদ এবং কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মো. শফি ও শারমিন আক্তার নাবিলা রয়েছেন।
আর যাত্রীদের মধ্যে ফয়সাল আহমেদ, বিলকিস আরা, বেগম হুরুন নাহার বিলকিস বানু, আখতারা বেগম, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, রকিবুল হাসান, হাসান ইমাম, আঁখি মনি, মিনহাজ বিন নাসির, ফারুক হোসেন প্রিয়ক, তার মেয়ে প্রিয়ন্ময়ী তামারা, মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহিরা তানভিন শশী রেজা, বেগম উম্মে সালমা, মো. নুরুজ্জামান, রফিক জামান, তার স্ত্রী সানজিদা হক বিপাশা, তাদের ছেলে অনিরুদ্ধ জামান।
উল্লেখ্য, ১২ মার্চ নেপালে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ শনাক্ত করে দেশে আনা হচ্ছে। বাকি তিন জনের মরদেহ এখনও শনাক্ত করা যায়নি। এই তিন জনের ক্ষেত্রে যদি ডিএনএ টেস্ট করাতে হয় তাহলে সময় লাগবে ১০ থেকে ২১ দিন। যাদের লাশ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি তারা হলেন- আলিফউজ্জামান, পিয়াস রায় ও মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
আপনার মন্তব্য