০৬ জুন, ২০১৮ ০০:১৪
২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২০টি জেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা শামীমা আকতার স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ বিষয় অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় অন্তর্ভুক্ত এবং অর্থ বরাদ্দে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সেই সাথে চিঠিতে এও জানানো হয়, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে খুলনা বিভাগের ১০টি জেলা ভিক্ষুকমুক্ত হয়েছে।
চিঠি বলা হয়েছে, দেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৯২ হাজার ৫৭২ জন। এর মধ্যে ২৯ হাজার ১৮৩ জনকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আরও ২০টি জেলা ‘ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’ এর মাধ্যমে ভিক্ষুকমুক্ত করা হবে।
চিঠিতে দেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা এক লাখ ৯২ হাজার ৫৭২ জন উল্লেখ করা হলেও সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, দেশে ছয় লাখের মতো ভিক্ষুক আছে।
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, শেখ হাসিনা যদি আবার ক্ষমতায় আসতে পারেন তাহলে দেশে কোনো ধরনের ভিক্ষাবৃত্তি থাকবে না।’
মুহিত আরও বলেন, বাংলাদেশে বেশির ভাগই পেশাদার ভিক্ষুক এবং তাদের জন্য কিছু করা যায় না। আমার হিসেবে দেশে ছয় লাখের মতো ভিক্ষুক আছে, যাদের কোনোমতেই ভিক্ষাবৃত্তির বাইরে নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না। যতই আমরা সাহায্য করি না কেন তারা আবার (ভিক্ষাবৃত্তিতে) ফিরে যায়। এদের কোথাও কোনো কাজে বসানো হলে, একটা ঘরবাড়ি দেয়া হলেও কিছুদিন পর আবার সেই ভিক্ষাতেই ফিরে যায়। কিন্তু প্রয়োজনের তাগিদে ভিক্ষা- সেটা যাতে না থাকে সেই ব্যবস্থা শেখ হাসিনার সরকার করে রাখছে।
সূত্র জানায়, ২০১০ সাল থেকেই সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে ‘ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান’ শীর্ষক কর্মসূচি পরিচালনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পসহ অন্যরাও কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে।
আপনার মন্তব্য