সিলেটটুডে ডেস্ক

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫১

জনগণের অর্থে কেনা অস্ত্র থেকে জনগণের ওপরই গুলি ছোড়া হবে, জামায়াত এটি দেখতে চায় না: শফিকুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে আর ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম দেখতে চান না উল্লেখ করে জাময়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, দেশের জনগণের অর্থে কেনা অস্ত্র থেকে জনগণের ওপরই গুলি ছোড়া হবে, জামায়াত এটি দেখতে চায় না। ফ্যাসিবাদের সব জট কেটে দিতে হলে ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে। ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি বলে উল্লেখ করে জনসভায় বলেন জাময়াতের আমির শফিকুর রহমান ।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া তরুণ ভোটারদের ভোটকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে আগুন জ্বলবে বলনে জামায়াত আমির। জনসভায় তিনি বলেন, ‘তাদের ভোটে কেউ হাত দেবেন না। হাত দিলে আগুন জ্বলবে। ওই স্লোগান শেষ। সন্ত্রাসীরা বলত, আমার ভোট আমি দেব, তোমারটাও আমি দেব। ওই দিন এখন শেষ। আপনারটা আপনি দেন, আমারটা আমি দেব। এবার তাই হবে, ইনশাআল্লাহ।’

জামায়াত আমির বলেন, দেশে এখন নতুন একটি পেশা খুব ভালো চলছে। সেটি চাঁদাবাজি। যারা এই পেশায় যুক্ত, তারা যেন ভালোপথে ফিরে আসে। তাদের হালাল রুজির ব্যবস্থা করা হবে। যদি এই পথ বাদ না দেয়, জামায়াতের পক্ষ থেকে তাদের লাল কার্ড দেখানো হবে।

বিগত সরকারগুলো কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি চরম অবহেলা করেছে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র উচ্চস্তরে। নিম্নস্তরে দেওয়া হয়নি। জামায়াত কওমি মাদ্রাসার পরিচালকদের সঙ্গে বসে তাঁদের ইচ্ছা ও পরামর্শ অনুযায়ী মাদ্রাসাগুলোকে সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দেবে।

শফিকুর রহমান আরও বলেন, হেফাজতের আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের রাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। এই স্বীকৃতি দিতে হবে।

জামায়াতের আমির ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ও ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী কামাল হোসেনের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং তাঁদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার পরে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জনসভা শুরু হয়। সভায় বক্তব্য দেন জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জাকসু এজিএস মাজহারুল ইসলামসহ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, এবি পার্টি এবং ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড জামায়াতের নেতারা।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির আবদুস সবুর ফকির। সঞ্চালক ছিলেন যাত্রাবাড়ী থানা জামায়াতের আমির একে আজাদ খান, কদমতলী থানার আমির মো. মহিউদ্দিন এবং মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য মিজানুর রহমান মালেক।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত