০৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:১৩
সিলেটের বিশ্বনাথে সরকারি রত্মা খাল দখল করে পাকা ঘরবাড়ি, দেওয়াল ও রাস্তা নির্মাণ করছেন দশপাইকা গ্রামের গিয়াস উদ্দিন, দবির উদ্দিন, নয়াছ উদ্দিন পক্ষের লোকজন। এমন অভিযোগ এনে এলাকাবাসীর পক্ষে সিলেটের জেলা প্রশাসক, বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগ (স্মারকলিপি) দেওয়া হয়েছে।
দশপাইকা গ্রামের বাসিন্দা মো. কামাল খান, শফিক আহমদ ও মমছির আলী গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ইং তারিখে সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবরে এলাকাবাসীর পক্ষে এ অভিযোগ দাখিল করেন, (স্মারক নং ০৭)।
একইদিনে দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেযারম্যান বরাবরে অভিযোগ দেন কামাল খান ও শফিক আহমদ। এর আগে এলাকাবাসীর পক্ষে গত ৩০ জানুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দেন কামাল খান, (স্মারক নং ১১৯৬)।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার দশপাইকা মৌজার ৪৩৩৬,২৭৮১,২৭৮২ নং দাগের এবং ৫৪ নং জেএলের সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত খাল (১নং খাস খতিয়ান) দখল করে অভিযুক্তরা পাকা ঘর ও দেওয়াল নির্মাণ করছেন। গ্রামবাসী বাধা দিলেও তা মানছেননা দখলদাররা।
অভিযোগকারী শফিক আহমদ বলেন, রত্মা খালে ঘরবাড়ি, রাস্তা ও দেওয়াল নির্মাণের ফলে স্থানীয় চাউলধনী হাওরে পানি প্রবাহে বাধা ও কৃষি ক্ষেতে বিরুপ প্রভাব পড়ছে। এছাড়া বর্ষাকালে গ্রামে পানি আটকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির পাশাপাশি গ্রামের লোকজন পানিবাহীত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। এছাড়াও জলাবদ্ধতায় গ্রামের পাকা সড়কটিও ভেঙ্গে যাবার আশংকা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে, অভিযুক্ত নয়াছ উদ্দিন এ প্রতিবেদককে বলেন, সরকারি খালে নয়, তারা তাদের মালিকানা জায়গাতে ঘর নির্মাণ করছেন। অভিযোগ তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে দেওয়াল ও রাস্তা ভেঙ্গে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বর্ণালী পাল বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন আছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আপনার মন্তব্য