২৩ ফেব্রুয়ারি , ২০২২ ০১:৪৩
মাহমুদ আলী (৬৩)। সিলেটের দক্ষিণ সুরমার উপজেলার এই বাসিন্দা এক সময় কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। পরে কিছুদিন কাজ করেছেন সার্ভেয়ারের সহযোগী হিসেবে। এ কাজ করতে গিয়ে জমিজমা সম্পর্কে তার কিছু ধারণা হয়। এই অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে নেমে পড়েন জমির দালালির কাজে।
এরপর জমিজমা বিষয়ক সমস্যা সমাধানের কথা বলে মানুষের কাছ থেকে টাকা-পয়সা নিতেন তিনি।
এই সময় তিনি কখনো ডিবি পুলিশ, কখনো সিআইডি, কখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বড় কর্মকর্তা, আবার কখনো দুদকের বড় কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে বেড়াতেন। বিশ্বাস অর্জন করতে আইডি কার্ডও রাখতেন সঙ্গে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, অবশেষে ধরা পড়েছেন এই প্রতারক।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ৩ নম্বর তেতলী ইউনিয়নের বদিকোনা গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে র্যাব তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
সোমবার মাহমুদ আলীকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
র্যাব-৯ এর গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাব জানায়, বদিকোনা গ্রামের বড়বাড়ির শহীদুল্লাহের ছেলে মাহমুদ আলী। তিনি কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। পরে প্রতারণায় নেমে পড়েন। মাহমুদ আলী লোকজনের কাছে নিজেকে বড় সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তদবির করে দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেন। গত রোববার গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ২টি ভুয়া আইডি কার্ড, প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কাগজপত্রের একটি বান্ডিল, মোবাইল ফোন জব্দ করে র্যাব।
আপনার মন্তব্য