২০ জানুয়ারি, ২০১৬ ১৪:২৯
প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলায় খুন হওয়া সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্রলীগ কর্মী কাজি হাবিবুর রহমান হাবিবের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১২ টায় ওসমানী হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে হাবিবের মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ি কুম্লিলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন তার স্বজনরা।
এসময় সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা মরদেহ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। সংঘাত এড়াতেই ক্যাম্পাসে মরদেহ নিতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
হাসপাতালে উপস্থিত হওয়া হাবিবের সহপাঠীদের অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়তে দেখা যায়।
ময়না তদন্ত শেষে নিহত কাজী হাবিবের ভাই জানিয়েছেন সাগরসহ ৫০/৬০ জন ছাত্রলীগ কর্মী তার ভাইকে হত্যা করেছে। তিনি এই হত্যাকান্ডের বিচার চান।
তবে এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছেন কতোয়ালি থানার ওসি সুহেল আহমদ।
নিহত হাবিব সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি সিলেটের কানিশাইল এলাকায় একটি মেসে থাকতেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে নিজ দলের ক্যাডার সাগর অনুসারীরা তার উপর হামলা করে।
পরে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে সিলেটের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার মৃত্যু হয় হাবিবের।
সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা তারেক উদ্দিন তাজ জানান, নিহত হাবিব কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের রানীঘাট গ্রামের কাজি সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
আপনার মন্তব্য