স’মিল সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম/নূনতম মজুরির গেজেট কার্যকর এবং ৮ ঘন্টা কর্মদিবস, নিয়োগ পত্র, পরিচয় পত্রসহ শ্রম আইন বাস্তবায়ন করার দাবি জানোনো হয়েছে।
মৌলভীবাজারের শহরের চৌমুহনাস্থ কার্যালয়ে গত শুক্রবার স’মিল শ্রমিক সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির এক সভায় এই দাবি জানানো হয়। স’মিল শ্রমিক সংঘের মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাপতি মোঃ আরজান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রজত বিশ্বাস। সভায় বক্তব্য রাখেন স’মিল শ্রমিক সংঘ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ মিয়া, কোষাধ্যক্ষ মোঃ ছালিক মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ মোস্তাক মিয়া, সদস্য মোঃ আবাদুল্লাহ প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর সরকার গত ২৫ সেপ্টেম্বর স’মিল সেক্টরের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরির গেজেট প্রকাশ করেছেন। যদিও ঘোষিত মজুরি বর্তমান বাজারদরের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়, তারপরও স’মিল মালিকরা সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরির চেয়ে আরও কম মজুরি দিচ্ছেন। শুধু তাই নয় স’মিল শ্রমিকরা দেশের প্রচিলত শ্রম আইনের সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
বক্তারা সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরির গেজেট কার্যকর, শ্রমিকদের জন্য রেশনিং চালু, ৮ ঘন্টা কর্ম দিবস, নিয়োগ পত্র, পরিচয় পত্রসহ শ্রম আইন বাস্তবায়ন, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও কাজের পোষাক প্রদান, শ্রীমঙ্গলে স্থায়ী শ্রম আদালত ও যুগ্ম-শ্রম পরিচালকের কার্যালয় স্থাপন করার দাবি জানান।
এছাড়া সভায় সাম্রাজ্যবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের সাথে দালাল ভারত সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থ বিরোধী ট্রান্সশিপমেন্ট, ট্রানজিট, করিডোর প্রদানের প্রতিবাদে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট-এনডিএফ ঘোষিত আশুগঞ্জের কেন্দ্রীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সকল উপজেলা থেকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরির গেজেট বাস্তবায়নের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান এবং প্রত্যেক শ্রমিক স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের মালিক বরাবর লিখিত আবেদন করার সিদ্ধান্ত হয়।
আপনার মন্তব্য