ডেস্ক রিপোর্ট

১৮ ফেব্রুয়ারি , ২০১৬ ১৮:২৯

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনবিহীন ডিপটিউবওয়েল, সিসিকের অভিযান

অনুমোদনবিহীন ডিপ টিউবওয়েল এর সন্ধান পাওয়া গেছে সিলেটের মার্কেট-রেস্তোরা ও হোটেল প্রতিষ্টানে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারী) সিলেট সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত মোবাইল কোর্ট চলাকালে এসব ডিপটিউবওয়েল এর সন্ধান পাওয়া যায়।

এই তালিকায় রয়েছে সিলেটের জিন্দাবাজারের আল হামরা মার্কেট, সিটি সেন্টার, লতিফ সেন্টার, জিন্দবাজারের চায়নিজ রেস্তোরা চিয়াং মাই, এবং দরগা গেইট এলাকার হোটেল জালালাবাদ ও হোটেল মনোরম। এসময় একাধিক প্রতিষ্টানের বিরুদ্ধে জরিমানা ও যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে মোবাইল কোর্ট।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্টেট জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী। এসময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর, পানি শাখার উপ সহকারী প্রকৌশলী সুনীল মজুমদার, ডিএ অফিসার মিন্টু সিংহ, নলকুপ পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন, লিটন মিয়া, সোহেল আহমদ, কবির হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানের শুরুতে মহানগরীর তাঁতীপাড়া এলাকার বাসাবাড়িতে যায় টিম। এরপর অভিযান চালিয়ে জিন্দাবাজার এলাকায় যায় মোবাইল কোর্ট। এসময় বাসাবাড়ির পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরা ও মার্কেটে মার্কেটে গিয়ে পানির অবৈধ লাইনের খোঁজ চালায় মোবাইল টিম।

অভিযানকালে আল হামরা মার্কেটে গিয়ে অনুমোদনবিহীন ডিপটিউবওয়েল এর সন্ধান পায় মোবাইল টিম। এসময় আল হামরা কর্তৃপক্ষকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়াও আল হামরার ডিপটিউবওয়েল (৪ ইি সাইজের) অনুমোদন ফি বাবদ ১ লাখ টাকা চালান কাটা হয়।

একইভাবে সিটি সেন্টারের (৩ ইি সাইজের) ডিপটিউবওয়েল অনুমোদন ফি বাবদ ৭০ হাজার টাকা চালান, লতিফ সেন্টারের (২ ইি সাইজের) ডিপটিউবওয়েল অনুমোদন ফি বাবদ ৩৫ হাজার টাকা চালান কাটা হয়।

জিন্দাবাজারের ওভারসিজ সেন্টারের চিয়াং মাই রেস্টুরেন্টকে ১শ টাকা জরিমানা এবং ডিপটিউবওয়েল (২ ইি ) এর অনুমোদন ফি বাবদ ৩৫ হাজার টাকা এবং দরগা গেইট এলাকার হোটেল মনোরম ও রেস্টুরেন্টকে ২ হাজার টাকা জরিমানা ও ডিপটিউবওয়েল অনুমোদন ফি বাবদ ৩৫ হাজার টাকা অনুমোদন ফি এবং দরগাগেইটের হোটেল জালালাবাদ-এ অনুমোদনবিহীন ডিপটিউবয়েল থাকায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনুমোদন ফি বাবদ ৩৫ হাজার টাকা (সাইজ ২ ইি ),চালান কাটা হয়।

এদিকে অভিযানকালে একাধিক বাসাবাড়ির মালিক অনাদায়ী বিল হিসেবে প্রায় ১৯ হাজার টাকা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করেন।

এই ব্যাপারে সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর জানান, বাসাবাড়ির পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অবৈধ পানির সংযোগ খুঁজে বের করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন এবং অনাদায়ী পানির বিল আদায়ের লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশনের এই মোবাইল কোর্ট অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, সিলেটের যেসব মার্কেট-রেস্তোরা-হোটেলসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান অনুমোদনবিহীন ডিপটিউবওয়েল নিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে আইন অনুযায়ী আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করবে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

অভিযানকালে সহযোগিতা করায় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত