০৬ মার্চ, ২০১৬ ১৭:৪৩
সিলেট উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় শিশুর অঙ্গহানির ঘটনায় ২ মামলায় অভিযুক্ত ডাক্তারদের এফসিপিএস সনদ স্থগিত ও এফসিপিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুকদের সুযোগ না দেওয়ার দাবি উঠেছে। অঙ্গহানির শিকার শিশু সাফির পিতা সিলেট টিভি ক্যামেরা জানালিস্ট এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ সভাপতি বদরুর রহমান বাবর বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান এন্ড সার্জনস (বিসিএফএস)-এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবরে লিখিত আবেদনে এ দাবি জানান।
অভিযুক্ত চিকিৎসকরা হলেন, সিলেট উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থপেডিক্স ও সার্জারী বিভাগের রেজিস্টার ডা. জাবের আহমদ, ডা. সৈয়দ মাহমুদ হাসান, ডা. কাজী সেলিম, ডা. মহসিন, ডা. তানভীর আহমদ চৌধুরী ও ইন্টার্ণ ডা. শাফিনাজ মোস্তফা।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১৮ জানুয়ারি সিলেট উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার কারণে তার শিশুপুত্র সাফির ডান হাতের তর্জনী আঙ্গুলে গ্যাংরিন সৃষ্টি হয়। পরে তা অপারেশনের মাধ্যমে কেটে ফেলতে বাধ্য হন শিশু সাফির পরিবার। এ ঘটনায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৩ সদস্যের বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটি ও সিলেটের সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এমতাবস্থায় চিকিৎসায় অবহেলাকারী সিলেট উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসায় অবহেলায় অভিযুক্ত ডাক্তারদের এফসিপিএস ডিগ্রী স্থগিত ও পরীক্ষার্থীদের এফসিপিএস সনদ প্রদান না করার অনুরোধ জানান তিনি।
এ ব্যাপারে সিলেট টিভি ক্যামেরা জানালিস্ট এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ সভাপতি ও বাংলাভিশনের সিলেট অফিসের ক্যামেরাপার্সন বদরুর রহমান বাবর জানান, অভিযুক্ত যে সকল ডাক্তার এফসিপিএস ডিগ্রীধারী তাদের সনদ স্থগিত ও যারা পরীক্ষার্থী কিংবা আগামীতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক তাদের পরীক্ষায় সুযোগ না দেওয়ার আবেদন করেছি বিসিএফএস-এর মহাখালী অফিসে। কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্তা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আশা করছি, অভিযুক্তদের সনদ স্থগিত ও বাকীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ বন্ধ করবে কর্তৃপক্ষ।
আপনার মন্তব্য