সিলেটটুডে ডেস্ক

১০ মার্চ, ২০১৬ ২৩:৫৫

জকিগঞ্জের সুলতানপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নে তৃণমূল আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীর ভোটে আনন্দ বিশ্বাস আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু তৃণমুলের গোপন ব্যালটের এই সমর্থন ও কেন্দ্রের নির্দেশনা অবজ্ঞা করে মাঠে কোমড় বেঁধে নেমেছেন দলের কতিপয় নেতা। ফলে গোপন ব্যালটে আনন্দ বিশ্বাস আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার পরও তার সাথে আরেকজনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও এটা কেন্দ্রের নির্দেশনা ও তৃণমুলের ব্যালট ভোটের বিরোধী।

এতে জকিগঞ্জ আওয়ামীলীগের তৃণমুলে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। গত মঙ্গলবার জেলা আওয়ামীলীগের এক সভায় ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ভোটে নির্বাচিত হন জকিগঞ্জের ৮টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী। ওই ভোটে ৬ নং সুলতানপুর ইউনিয়নে তৃণমূলের ভোটে নির্বাচিত আনন্দ বিশ্বাস দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হন। কিন্তু ঢাকায় তালিকা পাঠানোর সময় বর্তমান চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ চৌধূরীর নামও কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

এছাড়া জকিগঞ্জে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীরা হলেন- ১নং বারহাল ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান তালুকদার মিছবাহ জামান, ২নং বিরশ্রী ইউনিয়নে জকিগঞ্জ মেম্বার এসোসিয়েশনের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ ইউনুছ আলী মেম্বার, ৩নং কাজলসার ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ নেতা জুলকারনাইন লস্কর, ৪নং খলাছড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান কবির আহমদ, ৫নং জকিগঞ্জ ইউনিয়নে সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খলিল উদ্দিন, ৭নং বারঠাকুরী ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মহসিন মর্তুজা চৌধুরী টিপু, ৮নং কসকনকপুর ইউনিয়নে আব্দুর রাজ্জাক রিয়াজ ও ৯নং মানিকপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আবু জাফর মোঃ রায়হান।

দলীয় সুত্র জানায়, ধর্ষণ মামলা জনিত জটিলতার কারনে বারহালের তালূকদার মিছবা জামান যদি বাদ পড়েন তবে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মুহিবুর রহমান কান্ডারী হতে পারেন।

জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও জকিগঞ্জের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা আশফাক আহমদ জানান, জটিলতা এড়াতে তৃণমুলের ব্যালটের মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচিত করা হয়েছে। শুধুমাত্র সুলতানপুর ইউপিতে নির্বাচিত আনন্দ বিশ্বাসের সাথে বর্তমান চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ চৌধুরীর নাম পাঠানো হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত