২০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০৮
সিলেটের বিশ্বনাথে পাওনা টাকা চাওয়ায় রাহিমা বোগম (৩৮) নামের বিধবা এক নারী ও তার সহযোগী আবুল কালাম খান নামের রিকশা চালক এখন সিলেট ওসমানী হাসপাতালে। বিশ্বনাথ থানা পুলিশের সহযোগীতায় উদ্ধার পূর্বক স্থানীয়রা মুমুর্ষ অবস্থায় তাদের দু’জনকে ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ ভর্তি করেছেন।
শনিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে থানা পুলিশের এসআই সুমন চন্দ্র সরকারসহ একদল পুলিশ উপজেলার কালিগঞ্জের পার্শ্ববর্তি সদলপুর (তাজপুর) গ্রামের মৃত হোসমত আলীর ছেলে আফরুজ আলী (৫০) ও সিতাব আলীর (৪৮) বসত ঘরের বারান্দা থেকে তাদেরকে উদ্ধার করেন। আহত রাহিমা বেগম জগন্নাথপুর উপজেলার লাউতলা (ঝিগলী) গ্রামের মৃত রমজান আলীর (কুটিপতি) স্ত্রী। তিন সন্তানের জননী রাহিমা দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে বিশ্বনাথের কালিগঞ্জ বাজারের ইউপি সদস্য দবিরুল ইসলামের বাসায় ভাড়া থাকেন। রিকশা চালক কালামও কালিগঞ্জ বাজারের একটি কলোনীতে বসবাস করেন। তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার মদন থানাধীন নাগপুর গ্রামে।
বাসার মালিক ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আলাপুর গ্রামের দবিরুল ইসলাম বলেছেন, সদলপুর (তাজপুরের) সিতাব আলী ও আফরোজ আলীর নিকট প্রায় ৩লাখ টাকা পাওনা রয়েছে রাহিমা বেগমের। দীর্ঘদিন ধরে সিতাব আলী পক্ষের নিকট রাহিমা বেগম টাকা চেয়ে আসছেন। এমনকি গ্রামের লোকজনকেও জানিয়েছেন। সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যায় কালিগঞ্জ বাজারের রিকশা চালক কালামকে নিয়ে পাওনাদার রাহিমা বেগম আফরোজ আলী ও সিতাব আলীদের বাড়িতে গেলে তারা মারধর করে দু’জনকে আহত করে।
তবে এঘটাকে সাজানো দাবি করে আফরুজ আলী বলেছেন, ইউপি সদস্য দবিরুল ইসলাম সম্পর্কে তাদের ভাগিনা হলেও তার সঙ্গে তাদের বিরোধ রয়েছে। শনিবার হঠাৎ করে রাহিমা বেগম ও রিকশা চালক চিৎকার দিয়ে তাদের বারান্দায় গিয়ে মাটিতে লুঠিয়ে পড়ে।
থানা পুলিশের এসআই সুমন চন্দ্র সরকার বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধারের পর সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতরা সুস্থ্য হওয়ার পর তাদের জবানবন্ধির ভিত্তিতে পরবর্তি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
আপনার মন্তব্য