নিজস্ব প্রতিবেদক

০৫ মে, ২০১৬ ২২:৪১

বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল : সিলেটে রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান

অভ্যান্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ নজিবুর রহমান বলেছেন, রাজস্ব হচ্ছে উন্নয়নের অক্সিজেন। দেশের জনগণের রাজস্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোলমডেলে পরিণত হয়েছে। এর গতি বাড়াতে হবে। ২০৫০ সালে দশটি উন্নত রাষ্ট্রের একটি হবে বাংলাদেশ। দেশের উন্নয়নের জন্য অভ্যন্তরীণ সম্পদ আরো বাড়াতে হবে। আমাদের দেশে দিন দিন রাজস্ব বান্ধব সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে। এই সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে হবে। কেননা দেশের উন্নয়নের ৮৫ভাগ কর্মকান্ড রাজস্ব দিয়েই পরিচালিত হয়ে থাকে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর যৌথ উদ্যোগে ২০১৬-১৭ বছরের প্রাক বাজেট আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
 
বৃহস্পতিবার হোটেল রোজভিউতে এ প্রাক বাজেট আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মোঃ নজিবুর রহমান আরো বলেন, আগামী বাজেট হবে অধিকতর ব্যবসাবান্ধব। আমরা রাজস্ব বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। ব্যবসাবান্ধন, উন্নয়নবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে সরকার। এ কারণে রাজস্বও দিন দিন বাড়ছে। তিনি বলেন, এনবিআর বহুদূর যেতে চায়। এজন্য সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চায়। সকলে আন্তরিক থাকলে দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো।

সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর সভাপতি সালাহ উদ্দিন আলী আহমদের সভাপতিত্বে ও কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেট-এর কমিশনার ড. একেএম নূরুজ্জামানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোঃ ফরিদ উদ্দিন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর সদস্য (শুল্ক নীতি) মোঃ ফরিদ উদ্দিন,  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর সদস্য (কর নীতি) পারভেজ ইকবাল, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর সদস্য (মুসকনীতি ও বাস্তবায়ন) ব্যারিস্টার জাহাঙ্গির হোসেন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জামাল উদ্দিন আহমদ, সিলেট রেঞ্জ এর উপমহা পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মিজানুর রহমান, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোঃ কামরুল আহসান, কর অঞ্চল সিলেটের কর কমিশনার মোঃ মাহমুদুর রহমান, মেট্রোপলিটন চেম্বারের ১ম সহ সভাপতি হাসিন আহমদ, উইমেন চেম্বারের সভানেত্রী স্বর্ণলতা রায়, সুনামগঞ্জ চেম্বারের ১ম সহ সভাপতি আমিনুল হক, সিলেট চেম্বারের সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ মামুন কিবরিয়া সুমন।

এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর মহাপরিচালক মোঃ বেলাল উদ্দিন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর প্রথম সচিব (শুল্ক নীতি ও বাজেট) মোঃ ফখরুল আলম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর প্রথম সচিব  (কর বিধি) অঞ্জন কুমার সাহা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর প্রথম সচিব (মুসক নীতি) মোঃ ফাইজুর রহমান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর প্রথম সচিব (শুল্ক গোয়েন্দা) ও প্রধান বাজেট সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আকবর হোসেন, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর পরিচালক মোঃ লায়েছ উদ্দিন, পরিচালক আবু তাহের মোঃ শোয়েব, পরিচালক মুকির হোসেন চৌধুরী, পরিচালক মোঃ বশিরুল হক, চেম্বারের সাবেক সভাপতি এম এ সালাম চৌধূরী, সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি শাহ আলম, কয়লা আমদানী কারক গ্রুপের সভাপতি ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, অধ্যাপক এম শফিকুর রহমান, এডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ভোলা, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবির, মোঃ শামছুল আলম, মোঃ নাজমুল হক, সিলেট জেলা বার আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল ফজল, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সভাপতি ওয়ালি তছর উদ্দিন, মাওলানা ফারুক আহমদ, আলিমুল এহসান, ইলিয়াছ উদ্দিন লিপু, জালাল উদ্দিন, তরিকুল ইসলাম, বিশ্ববাংলা সম্পাদক কবি মুহিত চৌধূরী, এহসানুল হক তাহের, সিলেট চেম্বারের সহ সভাপতি মাসুদ আহমদ চৌধুরী, পরিচালক মোঃ হিজকিল গুলজার, মোঃ সাহিদুর রহমান, এজাজ আহমেদ চৌধুরী, এনামুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পরিচালক আব্দুর রহমান, আয়কর আইনজীবি সুপ্রিয় চক্রবর্তী, মোঃ শামসুল ইসলাম, মোঃ শহিদুল ইসলাম, প্রাক্তন পরিচালক এটিএম মোসাহিদ আহমদ, সিরাজুল ইসলাম, গোবিন্দ চন্দ্র বিশ্বাস, শাহ আহমদুর রব, খলিলুর রহমান প্রমুখ। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর পরিচালক ও ভ্যাট, বাজেট, শুল্ক, কর ও ট্যারিফ সাব কমিটির আহবায়ক খন্দকার সিপার আহমদ।

এছাড়াও সভায় সিলেট বিভাগের প্রশাসন ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, করদাতা, ব্যাবসায়ী প্রতিনিধি, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ অন্যান্য স্টেকহোল্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা আড়াই লক্ষ থেকে বাড়িয়ে সাড়ে তিন লক্ষ করতে হবে। কর বোঝা না বাড়িয়ে বরং করের আওতা বৃদ্ধি করতে হবে। দেশী ও প্রবাসী বিনিয়োগের মাধ্যমে স্থাপিত পর্যটন শিল্পকে কর মওকুফ সুবিদা প্রদান করতে হবে। কয়লা আমদানীর উপর কর উৎসের ৩% অগ্রিম আয়কর পরিশোধের পুণরায় আরোপ করতে হবে। কয়লা আমদানীর ক্ষেত্রে অগ্রীম শুল্ককরাদি পরিশোধের বিধান বাতিল করতে হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত