২১ জুন, ২০১৬ ১৮:০৬
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ৪ নং শেওলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ না করে পুনঃভোট গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।
নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আখতার হোসেন খান জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ এনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর আবেদনে তিনি এ দাবি জানান।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, "যারা মারা গেছেন তাদের ভোট দেওয়া হয়েছে। যারা প্রবাসে আছেন তাদের ভোটও পড়েছে বাক্সে। জাল ভোট দেওয়া হয়েছে অসংখ্য।
৪ জুন নির্বাচন চলাকালীন সময়ে তাৎক্ষণিকভাবে সকাল ১১ টায় দিঘলবাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার ও দুপুর ১টায় শেওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে জাল ভোট দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ জানানো হলেও প্রিজাইডিং অফিসররা কোন ব্যবস্থা না নিয়ে ভোট প্রক্রিয়া চালাতে থাকেন। প্রিজাইডিং অফিসাররা মোটা অংকের টাকার টাকা নিয়ে তাকে পরাজিত করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আবেদনে আরো অভিযোগ করেন, দিঘলবাকের মৃত সিদ্দেক আলী, সাজ্জাদ আলীর ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলাউদ্দিন, আকদ্দস আলীর ছেলে ফ্রান্স প্রবাসী মুজিবুর রহমানের ভোট দেওয়া হয়েছে। এভাবে অসংখ্য মৃত ব্যক্তি ও প্রবাসীদের ভোট ছাড়াও জোরপূর্বক অনেক জাল ভোট দেওয়া হয়েছে। এভাবে জাল ভোট দিয়ে পরাজিত নৌকার প্রার্থী জহুর উদ্দিনকে বিজয়ী করা হয়েছে।
তিনি গত নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে তাকে ৩ বারের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে। তাকে সরকারি ভাবে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে সফরে পাঠানো হয়েছে। তার পরাজয়ের কোন কারণ না থাকার পরও তাকে জাল ভোটের মাধ্যমে পরাজিত করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি ৪ জুন অনুষ্ঠিত শেওলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ না করে দুটি কেন্দ্রের পুনঃভোট গ্রহণের আবেদন জানান"।
ইতিমধ্যে পুনঃভোট গ্রহণের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিগ্যাল নোটিশও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আপনার মন্তব্য