ওসমানীনগর প্রতিনিধি

২০ মে, ২০১৭ ১৭:৩৫

ওসমানীনগরে ২৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিহীন অন্ধকারে ছিল উপজেলাবাসী

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে টানা ২৩ ঘণ্টা অন্ধকারে ছিল উপজেলাবাসী। গত শুক্রবার ভোর ৪ টার দিকে হঠাৎ করে বিদ্যুৎ বিপর্যয় শুরু হলে ২৩ ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ আসে।

গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন, বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা ঝড়-তুফান ছাড়াই বৃষ্টি আর হালকা বাতাস হলেই বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে-জন-জীবনে অসহনীয় ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। আর বাসা বাড়িতে পানির তীব্র সংকট,রেফ্রিজারেশনে রাখা নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার গুলো পচে নষ্ট হয়ে যায়। সংশ্লিষ্টরা আগাম না জানিয়ে কেন দীর্ঘ সময় এভাবে সংযোগ বন্ধ রাখছেন? এমন প্রশ্ন গ্রাহকদের।

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় ব্যবসায়ীদের আর্থিক লোকসান গুনতে হচ্ছে। বিপাকে পড়েছেন ব্যাংকসহ সরকারী প্রতিষ্ঠান গুলোও।

কয়েকজন গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন,সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কাশিকাপন জোনাল অফিস অফিসের মোবাইল নাম্বারে কল দিলেও কল রিসিভ হয় না, মোবাইল বন্ধ থাকে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও গরম শুরু হতেই প্রতিনিয়তই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কবলে পড়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ওসমানীনগর উপজেলাবাসী। ফলে বিদ্যুতের এমন আসা-যাওয়ার খেলায় গ্রাহকদেরকে প্রতি মাসে বাড়তি বিল গুনতে হচ্ছে।

কিছুদিন পূর্বে লোডশেডিং এর প্রতিবাদে দয়ামীরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে স্থানীয় এলাকাবাসী। উত্তেজিত জনতা রাত ৯ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ করে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে। পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। এ সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে রাস্তার দুপাশে প্রায় কয়েক কিলোমিটার যানজটের সৃষ্ঠি হয়। পরে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিস বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় এলাকাবাসী।

কাশিকাপন জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) জহিরুল ইসলাম বলেন, সঞ্চালন লাইনে ত্রুটি থাকায় সমস্যা সৃষ্ঠি হওয়ায় তা মেরামত করার জন্য দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ ছিল ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত