১২ জুন, ২০১৭ ০২:২২
তীব্র গরম ও রমজানে চাহিদা কমে যাওয়ায় হাঁসের ডিমের বড় ধরণের দরপতন হয়েছে। কমেছে ফার্মের মুরগীর ডিম (লাল) দামও। এক সপ্তাহে ব্যবধানে হালি প্রতি হাঁসের ডিমের দাম কমেছে গড়ে ১০ টাকা। আর ফার্মের মুরগীর ডিমের দাম কমেছে গড়ে ৮টাকা।
নগরীর ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তীব্র গরম ও রমজানের কারণে ডিমের দাম কমেছে।
রোববার সিলেটের বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে প্রতি হালি হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ২৬ টাকায়। আর পাইকারি বাজারে প্রতি শ’ হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ টাকা।
তবে গত মাসেও খুচরা বাজারে প্রতি হালি হাঁসের ডিম বিক্রি হয়েছে ৩৬ থেকে ৩৮ টাকায়। আর পাইকারি বাজারে প্রতি শ’ হাঁসের ডিম বিক্রি হয়েছে ৬শ’ থেকে সাড়ে ৬শ’ টাকায়।
অপরদিকে, খুচরা বাজারে ফার্মের মুরগীর ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। গত মাসেও যা বিক্রি হয়েছে ২৮ টাকায়। অপরদিকে, পাইকারি বাজারে প্রতি শ’ ফার্মের মুরগীর ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪২০ টাকায়। গত মাসেও যার দাম ছিলো ৫শ’ টাকা।
বিক্রেতারা জানান, গত কয়েকদিন ধরে তীব্র গরম থাকায় ডিমের বেচাকেনা কমে গেছে। রমজানে বিক্রি আরও কমেছে। এরফলে কমেছে ডিমের দাম। তবে হাঁস ও ফার্মের মুরগীর দাম কমলেও দেশী মুরগীর দাম আগের মতোই রয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, সিলেটের গোলাপগঞ্জ, ঢাকা দক্ষিণ, ফেঞ্চুগঞ্জ, কুমিল্লার লাকসামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সিলেটে ডিম কিনে আনেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।
সিলেট নগরীর লালদিঘীর পাড় এলাকার পাইকারি ব্যবসায়ী জামাল আহমদ বলেন, আগে প্রতিদিন দুই হাজারের মতো ডিম বিক্রি হতো। রমজান শুরু হওয়ার পর পাঁচশ’ ডিমও বিক্রি হয় না।
একই কথা জানালেন নগরীর রিকাবীবাজার এলাকার খুচরা ব্যবসায়ী সুমন আহমদও। তিনি বলেন, সরবরাহ কমে যাওয়ায় কমে গেছে ডিমের দাম। রমজানের পর ডিমের দাম আবার বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।
কেবল সিলেট নগর নয়, সিলেট বিভাগের বিভিন্ন উপজেলার বাজারগুলোতেও কমেছে ডিমের দাম। রোববার মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ডিম ব্যবসায়ী আব্দুল আলীম জানান, হাঁসের ডিমের প্রতি হালি ২৫ থেকে ২৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত মাসেও যা ৩৪ থেকে ৩৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ব্যবসায়ী আসাদুর রহমান জানান, হাওড়ে বন্যার কারণেও এই অঞ্চলে ডিমের দাম কমেছে। বাজারে ডিমের সরবরাহ অধিক কিন্তু ক্রেতা নেই। ফলে দাম বেড়েছে।
আপনার মন্তব্য