নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ জুলাই, ২০১৭ ০০:২৮

পাল্টাপাল্টি অবস্থান থেকে সরে এলো সিসিক ও উইমেন্স হাসপাতাল, রাতে সমঝোতা

একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন আর মামলার হুমকির পর রাতে সমঝোতায় পৌছেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নগরীর উইমেন্স মেডিকেল কলেজহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হলরুমে দু'পক্ষের মধ্যে বৈঠকে সৃষ্ট ঘটনার সমঝোতা হয়।

নগরীর মীরবক্সটুলা-চৌহাট্টা সড়ক প্রশস্ত করন নিয়ে সড়ক প্রশস্ত করা নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য সিসিকের পক্ষ থেকে উইমেন্স হাসপাতালকে জায়গা ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়। এনিয়ে সোমবার দুপুরে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বিকেলে মেয়র আরিফ কয়েকজন কাউন্সিলর ও ছাত্রদল নেতাদের সাথে নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. শাহ আব্দুল আহাদকে মারধর করেন।

আর আরিফুল হকের অভিযোগ তাঁর সাথে দুর্ব্যবহার করেন ডা. শাহ আব্দুল আহাদ।

এনিয়ে বিকেলে দুই পক্ষ নিজেদের কার্যালয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে।

সংবাদ সম্মলনে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মেয়রসহ 'হামলাকারী'দের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে জানান।

আর আরিফুল হক দাবি করেন, রাস্তা প্রশস্তকরণের জন্য জায়গা না ছাড়তে ষড়যন্ত্র করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

তবে রাতে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এসে সমঝোতায় বসেন দুই পক্ষ।

সিসিক মেয়রের পাঠানো সংবাদবিজ্ঞিপ্ততে জানানো হয়, সমঝোতা বৈঠকে রাস্তা প্রশস্থকরণ কাজ এগিয়ে নেয়ার জন্য উভয়ে সম্মত হন।

তবে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক এন আই খান জানিয়েছেন, বিকেলের ঘটনার সমঝোতা হলেও রাস্তা প্রশস্তকরণের জন্য হাসপাতালের জমি ছাড়ার ব্যাপারে কোনো আলোচনা হয়নি।

সমঝোতা বৈঠকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ছাড়াও সিটি কাউন্সিলর রাজিক মিয়া, সৈয়দ তৌফিকুল হাদি,আব্দুল মুহিত জাবেদ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের ভাইস-চেয়ারম্যান বশির আহমদ, ডা. মোদাব্বির হোসেন, পরিচালক ফখরুল ইসলাম, এন আই খান ও ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত