জামালগঞ্জ প্রতিনিধি

১৬ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৭:৫৫

জামালগঞ্জে মাটি ভরাট না হওয়ায় আটকে আছে সড়কের কাজ

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের লালবাজার-চান্দবাড়ী রাস্তার মাহমুদপুর গ্রামের সামনে মাটি ভরাট ও গুজাখালী ব্রিজ থেকে পুরান চান্দবাড়ী পর্যন্ত পর্যাপ্ত মাটি ভরাট না থাকায় এলজিইডির বাস্তবায়নাধীন হিলিপ প্রজেক্টের দেড় কোটি টাকার পাকাকরণের কাজ আটকে আছে।

জানা যায়, চলতি মেয়াদে লালবাজার-চান্দবাড়ী পর্যন্ত সাবমারজিবল রাস্তা তৈরিতে উপজেলা এলজিইডি অফিস হিলিপ প্রজেক্টর মাধ্যমে ২টি প্রকল্পে প্রায় দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। এ প্রকল্পে ২০১৪-১৫ অর্থ বৎসরে ৫৪ লক্ষ, ২০১৫-১৬ অর্থ বৎসরে ৯৪ লক্ষ টাকার সাবমারজিবল রাস্তা পাকাকরণের প্রক্রিয়া শুরু করে। ইতিমধ্যে প্রকল্পে ত্রাণ পুনর্বাসনের আওতায় গুজাখালীর নালায় একটি ব্রীজ স্থাপন করা হয়েছে। মৌলিনগর নদীতে কালভার্ট করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি রাস্তাটি উঁচু করে বাস্তবায়ন করা। এরই প্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন শুক্রবার লালবাজারে এক পথসভায় রাস্তায় মাটি ভরাটের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন। রাস্তাটি হলে নোওয়াগাঁও থেকে লালবাজার হয়ে সহজেই লোকজন জামালগঞ্জ যাতায়াত করতে পারবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত করতে সুবিধা হবে। আন্ত:ইউনিয়ন যোগাযোগ ব্যবস্থাও প্রসারিত হবে।

মাহমুদপুর গ্রামের প্রাক্তন মেম্বার আব্দুল মুছাব্বির বলেন, রাস্তাটি জনগুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় উঁচু করে পাকা করনের দাবি জানাই।

মৌলিনগর গ্রামের সাবেক মেম্বার আবুলেইছ বলেন, রাস্তাটি স্থায়ীভাবে ভরাট করলে আমরা সহজেই উপজেলায় যেতে পারব।

ইউপি সদস্য তহুর মিয়া বলেন, মাটি ভরাটের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় রাস্তাটি উঁচু করতে পারছি না। এতে এমপি মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

জামালগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার বলেন, এমপি মহোদয়ের নির্দেশ মোতাবেক মাটি ভরাটের জন্য প্রাক্কলন তৈরি করে পাঠানো হচ্ছে। মাটি ভরাটের পাশাপাশি পাকাকরণের কাজ চলবে।।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত