০২ আগস্ট, ২০১৫ ১৫:৪৫
অমীমাংসিতভাবে শেষ হলো প্রশাসন ও অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক। এর ফলে সিলেটে অটোরিকশা শ্রমিকদের আন্দোলন আরো কঠোরভাবে চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
মহাসড়কে থ্রি-হুইলার বন্ধের সরকারী নির্দেশনার প্রাতবাদে আহুত শ্রমিকদের অবস্থান ঘর্মঘটের প্রেক্ষিতে রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বৈঠক অুনষ্ঠিত হয়।
এতে প্রশাসনের পক্ষে জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন, পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা, উপ পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মুশফিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনায় অংশ নেন শ্রমিক ও মালিক নেতৃবৃন্দ।
বৈঠকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতিদেওয়া হলেও সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি প্রদানে অনীহা প্রকাশ করা হয়।
তবে সিলেট থেকে শেরপুর পর্যন্ত মহাসড়কে এ নির্দেশনা শিথিল করার আহ্বান জানান শ্রমিকপক্ষ। অপরদিকে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা মেনে বিকল্প পথে এসব যানবাহন চলাচলের অনুরোধ জানান কর্মকর্তারা।
বৈঠকে উভয় পক্ষ অনড় অবস্থানে থাকায় চলতি অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের থেকে সরে আসতে অপারগতা জানান আন্দোলনারী নেতৃবৃন্দ। সোমবার থেকে আরোও কঠোর কর্মসূচী গ্রহণের ঘোষণা দেন তারা।
আলোচনা শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এনডিসি’র নেতৃত্বে ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। শ্রমিক প্রতিনিধিসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত এ কমিটি সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেবে।
এব্যাপারে সিলেট জেল অটোরিকশা (সিএনজি) শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাকারিয়া বলেন, প্রশসনের কাছ থেকে আমরা সন্তোষজনক কোনো আশ্বাস পাইনি। তাই আমাদের ধর্মঘট ও অবস্থান কর্মসূচী চলবে। আগামী দিন থেকে আন্দেলন আরো জোরদার করা হবে। আগামীকাল থেকে আমরা কাফনের কাপড় বেঁধে আন্দোলনে নামবো।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে।
তবে সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল করতে দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।
আপনার মন্তব্য