২৮ নভেম্বর, ২০১৮ ২০:১৯
হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনের বর্তমান সাংসদ জাতীয় পার্টির এম.এ মুনিম চৌধুরী বাবু । ওই এলাকার সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ আওয়ামী লীগ নেত্রী আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী। দু'জনই এবার দলীয় মনোনয়ন চেয়েও পাননি। এই বঞ্চনা থেকে এবার বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তারা দুজনই।
বুধবার মনোনয়ন জমাদানের শেষ দিনে হবিগঞ্জ-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন মুনিম চৌধুরী বাবু ও কেয়া চৌধুরী।
অপর দিকে, মহাজোটের পক্ষে আওয়ামীলীগ থেকে সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজীর পুত্র গাজী শাহনেওয়াজ মিলাদ ও জাপার পক্ষে কেন্দ্রীয় নেতা আতিকুর রহমান আতিকও দলীয় মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
মহাজোটের মতো জট আছে আরেক জোট ঐক্যফ্রন্টেও। ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে গণফোরাম থেকে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়ার পুত্র ড.রেজা কিবরিয়া মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আর বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন সাবেক এমপি শেখ সুজাত আলী।
দুইজোটের ৪ প্রার্থী ও দুই সাংসদের স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করার এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
এরা ছাড়া বুধবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মাওলানা আবু হানিফ আহমদ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে লন্ডন প্রবাসী আব্দুল হান্নান মনোনয়ন দাখিল করেন।
হবিগঞ্জ-১ আসনে মোট ৮জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকট ও ২ জন রিটার্নিং অফিসার ও হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নিকট মনোনয়ন দাখিল করেন।
আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, ঐক্যফ্রন্টে কমান্ড যে সিদ্ধান্ত নিবেন আমি সেটা মেনে নিবো। আমি শতভাগ আশাবাদী আমার বাপ দাদার জন্মস্থান নবীগঞ্জ বাহুবলে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করে জনগণের সেবা করতে সুযোগ পাবো।
হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী শেখ সুজাত মিয়া বলেন, আমি একমাত্র প্রার্থী। আমাদের হবিগঞ্জ-১ আসনে ঐক্যফ্রন্টে আর কোন প্রার্থী আছে বলে আমার জানা নেই। হাই কমান্ড আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে তাই খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়ন দাখিল করেছি।
আপনার মন্তব্য