০৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৫:৪১
গত পাঁচ বছরে মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের সম্পদ বেড়েছে ৪৫ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭২ টাকা। নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন পত্রের সাথে দাখিলকৃত হলফনামার বিবরণী থেকে এতথ্য জানা যায়।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ আসনে (দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান। তিনি একই আসনের বর্তমান সাংসদ ও অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।
ইসিতে দাখিলকৃত হলফনামার বিবরণ থেকে জানা যায়, এবার প্রতিমন্ত্রী মান্নান তাঁর অস্থাবর সম্পদের বিবরণীতে উল্লেখ করেছেন ১ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ১৪৮ টাকা। এর মধ্যে টাকা আছে ৩ লাখ ৬১ হাজার ৮৬৪ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৫৫ লাখ ৩৫ হাজার ৮০২ টাকা। পোস্টাল, সঞ্চয়, সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ৬৯ লাখ টাকা। একটি জিপগাড়ির মূল্য ৫৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪৮২ টাকা।
গতবারের হলফনামায় তাঁর অস্থাবর সম্পদ ছিল ১ কোটি ৩৯ লাখ ৩৩ হাজার ২৭৬ টাকার। তখন হাতে টাকা ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৪০ লাখ ৮ হাজার ৯৮৬ টাকা; পোস্টাল, সেভিংস, সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ১৯ লাখ টাকা, ২টি গাড়ির দাম ছিল ৭৬ লাখ ৪ হাজার ২৯০ টাকা, স্বর্ণ ছিল ১ লাখ টাকার। ২০০৮ সালের হলফনামায় অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল সব মিলিয়ে ৬৪ লাখ ২০ হাজার টাকার।
প্রতিমন্ত্রী তাঁর বার্ষিক আয় উল্লেখ করেছেন ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ২৩১ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট ও দোকান বা অন্যান্য বাবদ ৩ লাখ ৯৬ হাজার ২৮০ টাকা; শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে ৭ লাখ ৭৯ হাজার ৬২২ টাকা, পেশাগত আয় ১১ লাখ ৪ হাজার টাকা, অন্যান্য (আয়করবহির্ভূত ও অন্যান্য ভাতা) ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩২৯ টাকা।
তবে গতবারের হলফনামায় তাঁর বার্ষিক আয় দেখানো ছিল ৮ লাখ ৪৮ হাজার ১৭৯ টাকা। এই আয়ের প্রায় অর্ধেক পেতেন সাংসদ ভাতা হিসেবে।
এবারের হলফনামায় মান্নানের স্থাবর সম্পদ দেখানো হয়েছে ৩৯ লাখ ২ হাজার টাকার। এর মধ্যে কৃষি ও অকৃষি জমি ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকার, আধা পাকা তিনটি টিনশেড ঘরের দাম ৫০ হাজার টাকা, একটি ফ্ল্যাট ১৮ লাখ টাকা এবং ১৩ শতকের একটি পুকুর ২ হাজার টাকা।
আপনার মন্তব্য