মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯ ইং

সিলেটটুডে ডেস্ক

২৬ মার্চ, ২০১৯ ১৮:২০

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

আয়োজনের মধ্যে ছিল স্থায়ী ও সিটি ক্যাম্পাসে পতাকা উত্তোলন, শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, কুইজ প্রতিযোগিতা, পোস্টার প্রদর্শনী, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দিনভর এসব আয়োজনে মুখর ছিল সিলেটের শীর্ষস্থানীয় এই বিশ্ববিদ্যালটি।

সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম হাবিবুর রহমান লাইব্রেরি হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক শিব প্রসাদ সেন, প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী, প্রধান আলোচক ছিলেন মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক।

স্বাগত বক্তব্য দেন স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক ব্যবসা ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. তাহের বিল্লাল খলিফা, আরো বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ফজলুর রব তানভীর ও অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক বিউটি নাহিদা সুলতানা।

প্রধান অতিথি ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী বলেন, ‘স্বাধীনতা আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। কিন্তু স্বাধীনতার মূল্যবোধকে যদি আমরা ধারণ না করি, তবে তা অর্থবহ হবে না। আমাদের সর্বস্তরে স্বাধীনতার মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে হবে।’

প্রধান আলোচক ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক বলেন, ‘আমাদের মুক্তিযুদ্ধ গণহত্যানির্ভর ইতিহাস। অথচ কেউ কেউ এই গণহত্যা নিয়ে ঠাট্টা করেন, ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন! এজন্য বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস রচনা করতে হবে। ইতিহাস রচনা নির্ভর করবে কতোটা নিরপেক্ষভাবে তা বর্ণণা করছি তার ওপর।’

সভাপতি অধ্যাপক শিব প্রসাদ সেন বলেন, ‘স্বাধীনতার পথ ধরে অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। উন্নয়ন হচ্ছে, তবে উন্নয়নের বন্টন সঠিকভাবে হচ্ছে না। যার ফলে শোষণহীন সমাজ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। উন্নয়ন যাতে সুষম হয়, সেদিকে আমাদের সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নজরুল হক চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক নন্দলাল শর্মা, অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ড. এসএম আলী আক্কাস, আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক চৌধুরী মো. মোকাম্মেল ওয়াহিদ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার মিহির কান্তি চৌধুরী, সহকারী রেজিস্ট্রার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা লোকমান আহমদ চৌধুরী, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক খন্দকার মকসুদ আহমদ, উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) সুমনা আজিজ প্রমুখ ।

এর আগে অতিথিরা পোস্টার প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। পরে বিচারকদের রায়ের প্রেক্ষিতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

কুইজ প্রতিযোগিতায় মেহেদি হাসান ১ম, তাসনিম হোসেন ২য় ও আবু সাঈদ খান ৩য় হন। আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে আবুল ফজল ১ম, মারওয়া মিন্নাত উপমা ২য়, প্রথমা চৌধুরী ৩য়, আতাউল গণি অমিত ৪র্থ ও জান্নাতুর মাওয়া ৫ম হন। পোস্টার প্রদর্শনীতে মৃন্ময় দাস, তাহসিন হামিদ তাহা ও দেলওয়ার হোসাইন পাভেল ১ম, সন্দীপন চৌধুরী ও অয়ন চৌধুরী ২য় এবং প্রথমা চৌধুরী, সুষমা সোম ও মোহনা চৌধুরী ৩য় হন।

পোস্টার প্রদর্শনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাজমিন আক্তার ও আইন বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক ফাতেমা ইমরোজ সামান্তা। সবশেষে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত