বুধবার, , ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

সিলেটটুডে ডেস্ক

১৪ এপ্রিল, ২০১৮ ১২:১০

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ সিরিয়ার

আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে হামলা চালানো হয়েছে জানিয়েছে সিরিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের হামলার প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলছে দেশটি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, যখন সন্ত্রাসীরা ব্যর্থ হল যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ব্রিটেন হস্তক্ষেপ করল এবং সিরিয়ার বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালাল।

তবে সিরিয়ার বিরুদ্ধে আমেরিকান, ফরাসি ও ব্রিটিশ আগ্রাসন ব্যর্থ হবে।

সানার ওই প্রতিবেদন বলা হয়েছে, রাজধানী দামেস্কের উত্তর-পূর্বে একটি গবেষণাগারে এবং অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চলছে।

হোমস শহরের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র চালানো হলে তা নস্যাৎ করার দাবি করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে দুমা শহরে সন্দেহজনক রাসায়নিক হামলা চালায় সিরিয়া। এতে বেশ কয়েকজন নিহত হয়। এর জবাবেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা শনিবার সকালে হামলা শুরু করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্যের সশস্ত্র বাহিনী সঙ্গে যৌথভাবে হামলা চলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগনে এক ব্রিফিংয়ে জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ড বলেছেন, তিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হচ্ছে।

এগুলো হলো-দামেস্কের বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার, যেখানে রাসায়নিক ও জৈব অস্ত্র উৎপাদন করা হয় বলে জানা গেছে। হোমসে একটি রাসায়নিক অস্ত্রভাণ্ডার ও হোমসেই পাশেই আরেক অস্ত্রভাণ্ডার, যেখান থেকে নির্দেশ দেয়া হয়।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বলছে, সরকারি বাহিনী ১২টার বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।

সিরীয় সরকারের মূল মিত্র রাশিয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ পরিণতি ছাড়া শেষ হবে না।

মার্কিন জেনারেল ডানফোর্ড বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে যাতে রুশ সেনাদের হতাহতের সংখ্যা কম হয়। তবে পেন্টাগন বলছে, রাশিয়াকে আগে থেকে সতর্ক করা হয়নি।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস বলেছেন, প্রথম দফার বিমান হামলা শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে কড়া বার্তা দেয়া হয়েছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে বলেছেন, বলপ্রয়োগ ছাড়া বাস্তবিক কোনো বিকল্প ছিল না। এ হামলা সিরিয়ায় ক্ষমতার পালাবদলের জন্য নয়।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরোঁ হামলায় তার দেশের জড়িত থাকার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুমায় রাসায়নিক হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ, শিশুকে হত্যা করেছে সিরিয়া। এর জবাবেই এ হামলা।

এক বছরের কিছু আগেও সিরিয়ার ওপর বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেবার ৫৯টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এবার সংখ্যাটা এরই মধ্যে দ্বিগুণ হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত