বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯ ইং

সিলেটটুডে ডেস্ক

০৭ এপ্রিল, ২০১৯ ২২:৪৬

সব সম্পদ ট্রাস্ট করে দান এরশাদের, ট্রাস্টি বোর্ডে নেই রওশন

শারীরিকভাবে অসুস্থ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ তার সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ট্রাস্ট গঠন করে দান করেছেন।

পাঁচ জনকে সদস্য করে রোববার বিকেলে ট্রাস্ট গঠন করেন তিনি।

এরশাদ নিজেও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন। বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন এরশাদের ছেলে এরিক এরশাদ, একান্ত সচিব মেজর (অব.) খালেদ আক্তার, চাচাতো ভাই মুকুল ও তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।

জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সাল চিশতি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

৯০ বছর বয়সী সাবেক এই সামরিক শাসক তার ট্রাস্টি বোর্ডে রাখেননি স্ত্রী রওশন এরশাদ ও ভাই জিএম কাদেরকে।

জাতীয় নির্বাচনের সময় এরশাদ ইসিতে যে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন তাতে তিনি বার্ষিক এক কোটি আট লাখ টাকা আয়ের কথা জানিয়েছিলেন। সম্পদের বিবরণীতে তিনি আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার, অনির্ধারিত ব্যবসা, বিভিন্ন কোম্পানি থেকে বেতন, সম্মানীর কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও রাজধানীর গুলশান ও বনানীতে সর্বশেষ তিনি দুটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন যার মূল্য যথাক্রমে ৬ কোটি ২০ লাখ ও ৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক দিনের জন্যও দলীয় প্রচারণায় অংশ নেননি এরশাদ। নতুন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশনের ২৬ দিনের মধ্যে মাত্র একদিন সংসদে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

ফয়সাল চিশতি বলেন, বিকেলে বারিধারার বাসায় জাপা চেয়ারম্যান তার ব্যক্তিগত আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলামের ব্যবস্থাপনায় সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি তার গড়া ট্রাস্টের নামে দান করেন।

যেসব সম্পত্তি ট্রাস্টের নামে দান করা হয়েছে তার আনুমানিক মূল্য ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রয়েছে- বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের বাসা, গুলশানের দুটি ফ্ল্যাট, বাংলামটরের দোকান, রংপুরের কোল্ড স্টোরেজ, পল্লী নিবাস, রংপুরে জাতীয় পার্টির কার্যালয়, ১০ কোটি টাকার ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত