মঙ্গলবার, , ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

স্পোর্টস ডেস্ক

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২১:৩২

ইমরুল-মাহমুদউল্লাহর লড়াইয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৪৯

এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে এই আফগানিস্তানের কাছে খুবই বাজেভাবে হেরেছিল বাংলাদেশ। বলা যায় এক রকম বিধ্বস্ত হয়েছিল হয়েছিলেন মাশরাফি-সাকিবরা।

সুপার ফোরের নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে টেস্ট ক্রিকেটে নবীন সদস্য দেশটির মুখোমুখি হয় আবার। এ ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের কবলে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর তৃতীয় উইকেট জুটি কিছুটা দৃঢ়তা দেখালেও দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে ফের বিপদে পড়ে দল। এই চরম বিপর্যয় কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত  মাহমুদউল্লাহ ও ইমরুল কায়েসের ব্যাটিং দৃঢ়তায় নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে বাংলাদেশ ৭ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ২৪৯ রান।

এ ম্যাচের আগে দেশ থেকে সৌম্য সরকার এবং ইমরুল কায়েসকে উড়িয়ে নেওয়া হলেও ওপেনে দেখা যায় নাজমুল ইসলাম শান্তকে।
কিন্তু নিজের তৃতীয় ম্যাচেও ব্যর্থ তিনি। দলের ১৬ এবং নিজের ৬ রানে শুরুতে ফিরে যান শান্ত। পরের ওভারে দলীয় ১৮ রানে ফিরে যান মোহাম্মদ মিঠুন। সাকিব কিংবা ইমরুলকে ওয়ানডাউনে না নামিয়ে এ ম্যাচে নামিয়ে দেওয়া হয় মিঠুনকে। মুজিবের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি।

এরপর ৬৩ রানের জুটি গড়েন লিটন দাস এবং মুশফিক। তারপর শুরু হয় বড় ধস। নিজের ৪১ রানে রশিদ খানের বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। দলের রান তখন ৮১। এরপর ক্রিজে এসে কোন রান না করেই দলের ৮১ রানে রান আউট হয়ে ফেরেন সাকিব আল হাসান। এরপর আবার ঘাতক রান আউট। ৮৭ রানের মাথায় এবার ফিরে যান দারুণ শুরু করা মুশফিক। তিনি করেন ৩৩ রান।

দলের বড় বিপর্যয় সামাল দেন ক্রিজে থাকা ইমরুল কায়েস এবং মাহমুদুল্লাহ। তারা দু'জনে ১২৮ রানের জুটি গড়েন। শেষ পর্যন্ত মাহমুদুল্লাহ ৮১ বলে ৭৪ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে ফেরেন। এছাড়া ইমরুল কায়েস খেলেন ৭২ হারের হার না মানা ইনিংস। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ২৫০ রানের লক্ষ্য দাঁড় করাতে সক্ষম হয়।

এ ম্যাচে বাংলাদেশ দল দু্ই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে। বাংলাদেশ থেকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া ইমরুল কায়েস জায়গা পান একাদশে।

এছাড়া এ ম্যাচে অভিষেক হয় বাঁ-হাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপুর। ইমরুলকে নেওয়া হয় মোসাদ্দেকের জায়গায়। এছাড়া নাজমুল সুযোগ পেয়েছেন রুবেলের বদলি হিসেবে।

এর আগে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আফগানদের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ। এ ম্যাচে তাই ঘুরে দাঁড়ানোর পালা মাশরাফিদের। এছাড়া দু'দলই সুপার ফোরে নিজেদের খেলা প্রথম ম্যাচে হেরেছে। এই ম্যাচ তাই দু'দলের জন্যই এক প্রকার ফাইনালের জন্য টিকে থাকার লড়াই। হারলেও অবশ্য সুযোগ থাকবে কিন্তু সুতোর ওপর ঝুলবে সে সুযোগ। দু'দলই তাই এ ম্যাচে জিতে এগিয়ে যেতে চাইবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত