২১ জুন, ২০১৫ ০১:১৩
গীত, বাদ্য ও নৃত্য এই তিনটি ক্ষেত্রের সমন্বয়ে যা সৃষ্টি হয় তাই সংগীত। সংগীতের ভাষা শাশ্বত। সংগীত কখনো দুঃখ, কখনো সুখ, কখনো ভালোবাসা, সময় বিশেষে কখনো বিপ্লবের কথা ও বলে যায়।
আজ বিশ্ব সংগীত দিবস। প্রতিবছর এই দিনে সারাবিশ্বে সংগীত দিবস পালন করা হয়। ১৯৭৬ সালে ফ্রান্সের রেডিও স্টেশনের আমেরিকান মিউজিশিয়ান জোয়েল কোহেন প্রথম বিশ্ব সংগীত দিবসের প্রস্তাব করেন। পরে ১৯৮২ সালে বিশিষ্ট নৃত্য ও সংগীত পরিচালক মরিস ফ্লরেট এবং ফরাসি সংস্কৃতিমন্ত্রী জ্যাক ল্যাং সংগীত দিবস পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১৯৮৫ সাল থেকে ইউরোপ এবং পরে সারাবিশ্বে দিবসটি পালন করা হয়। বাংলাদেশ সংগীত সমন্বয় পরিষদ ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠা লাভের পর ২০০৮ সাল থেকে এই উত্সবের আয়োজন করে আসছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও এ দিবসটিকে গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়। শিল্পকলা একাডেমীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আজ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। তবে রমজানের কারণে অন্য বছরের তুলনায় এবারের আয়োজন বেশ স্বল্প পরিসরে। এরমধ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী ও বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের যৌথ আয়োজনে একাডেমীর সেমিনার হলে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। বিকাল ৪টায় থাকবে উদ্বোধনী সংগীত। এরপর সেমিনার।
বাংলাদেশ সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি তপন মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় গণমাধ্যমকে জানান, রমজানের কারণে অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন শিল্পী মাহমুদ সেলিম। প্রধান অতিথি থাকবেন অধ্যাপক করুণাময় গোস্বামী।
প্রসঙ্গত, সংগীতের সার্বজনীন রূপকে আন্তর্জাতিকভাবে বরণ করতেই ২১ জুন পালন করা হয় বিশ্ব সংগীত দিবস।
আপনার মন্তব্য