১৫ মে, ২০২৩ ০২:৪২
তুরস্কের জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন দেশটির জনগণ। চলছে ভোট গণনা। এই ভোট গণনা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
সরকারি বার্তা সংস্থা বলছে, ভোট গণনায় এগিয়ে আছেন ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একেপি) রিসেফ তাইয়েপ এরদোয়ান। এদিকে, পশ্চিমা মাধ্যমগুলো আগে থেকে বলছে, বুথ ফেরত জরিপে এগিয়ে রয়েছে বিরোধী জোট।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ৮৪ শতাংশের বেশি ব্যালট বাক্স খোলা হয়েছে। প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ভোট গণনা করা হয়েছে।
এতে এরদোয়ানের দল ৪৯ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছে। অন্যদিকে, তুরস্কের প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) কামাল কিলিচদারোগলু ৪৪ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। খবর আলজাজিরা, বিবিসি ও রয়টার্সের।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, শুক্রবারের (১২ মে) দুটি জনমত জরিপ অনুযায়ী, সরাসরি জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ৫০ শতাংশ ভোটের বেশিই যেতে পারে কিলিচদারোলুর পক্ষে। তবে রোববারের (১৪ মে) নির্বাচনে কেউই যদি ৫০ শতাংশের বেশি ভোটে জিততে না পারেন, তাহলে ২৮ মে আরেকটি নির্বাচন হবে।
এদিকে বিবিসি বলছে, এবারের নির্বাচনে যারা ভোট দিচ্ছেন তাদের আট শতাংশই প্রথমবারের ভোটার। তাই স্বাভাবিকভাবেই এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় সব প্রার্থী তরুণ ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করেছেন। তবে এরদোয়ান জোর দিয়েছেন প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতির ওপর। অন্যদিকে, কিলিচদারোলু আরও বেশি স্বাধীনতা ও উন্নত কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
কেমাল কিলিচদারোলু ছয়টি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত জোট ‘টেবিল অব সিক্সের’ প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি। তাছাড়া বেশকিছু সরকারবিরোধী গ্রুপও কিলিচদারোলুকে সমর্থন করছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আরও দুজন প্রার্থী লড়াই করছেন। তাদের একজন হলেন মধ্য-বামপন্থী ও জাতীয়তাবাদী মুহাররাম ইঞ্জে। অপরজন হলেন ডানপন্থী জাতীয়তাবাদী সিনান ওগান।
আপনার মন্তব্য