সিলেটটুডে ডেস্ক

১৯ আগস্ট, ২০২১ ২১:৩০

দাফন নিয়ে বাবুনগরীর শেষ ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে না

হেফাজতে ইসলামের আমির মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীর দাফন নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও তার এলাকাবাসীর মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। বাবুনগরীর জন্মস্থান বাবুনগরবাসী চান সেখানেই তার দাফন হবে। যদিও হেফাজত থেকে জানানো হয়েছে, আমিরের দাফন হবে হাটহাজারী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী হাটহাজারী মাদ্রাসায় দাফনের জন্য ফটিকছড়ির বাবুনগর থেকে তার মরদেহ হাটহাজারীতে নেয়ার চেষ্টা করলে বাধা দেন স্থানীয়রা।

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এলাকাবাসী চেয়েছেন ওনাদের এলাকার মানুষ এলাকায় দাফন করতে, কিন্তু সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মরদেহ হাটহাজারীতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

মরদেহ হাটহাজারীতে নেয়ার আগে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বাবুনগরীর মামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত ৪ আগস্ট তিনি আমার কাছে তার বাবা-মার কবরের পাশে জায়গা চেয়েছেন। আমি তাকে তার বাবা-মার পাশে কবর দেয়া হবে বলেছি।’

এরআগে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শেষবারের মত জুনায়েদ বাবুনগরীর মরদেহ তার নিজ গ্রাম বাবুনগরে নিয়ে যাওয়া হয়। শুরুতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় হাটহাজারী মাদ্রাসায় এবং এরপর রাত সাড়ে ৯টায় ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানানো হয়। জানাজা শেষে বাবুনগরীর নিজ গ্রাম বাবুনগরে বাবা মায়ের পাশে দাফন করার সিদ্ধান্ত হয়। এরমধ্যে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাটহাজারী মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাটহাজারী মাদ্রাসায় দাফন ও জানাজার নামাজের সময় রাত ১১টা নির্ধারণ করা হয়।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমেদ শফীর মৃত্যুর পর কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক সংগঠনটির নেতৃত্বে আসেন বাবুনগরী।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত