সিলেটটুডে ডেস্ক

২৫ জানুয়ারি, ২০২৪ ১৮:১০

বই থেকে ‘শরীফার গল্প’ বাদ দিতে উকিল নোটিস

সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই থেকে ‘শরীফার গল্প‘ বাদ দিতে উকিল নোটিস পাঠিয়েছেন এক আইনজীবী।  

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবির) চেয়ারম্যানকে ওই নোটিস পাঠান।

সেখানে বলা হয়েছে, “এই গল্পের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ট্রান্সজেন্ডারের প্রতি আকৃষ্ট করা হয়েছে। সুকৌশলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে ট্রান্সজেন্ডারদের প্রতি প্রেরণা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া এক নয়, এদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। হিজড়ারা জন্মগতভাবেই কিছুটা বিকৃত অঙ্গ নিয়ে জন্মায়। এটা সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত। কিন্তু ট্রান্সজেন্ডারদের শারীরিক কোনো ত্রুটি থাকে না, তারা মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত। উদাহরণস্বরূপ একজন ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ মনে করে সে একজন নারী। অপরদিকে একজন একজন নারী ট্রান্সজেন্ডার মনে করে সে একজন পুরুষ।”

ট্রান্সজেন্ডারদের যৌনাচার নিয়ে আপত্তি তুলে নোটিসে বলা হয়, বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় পুরুষ-পুরুষ বা নারী-নারী যৌন সহবাসের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

৩০ দিনের মধ্যে সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বই থেকে ‘শরীফার গল্প’ বাদ দেওয়াসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বইয়ের দোকান থেকে বইটি প্রত্যাহার করতে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সংশোধিত বই সরবরাহ করতে বলা হয়েছে আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসানের পাঠানো নোটিসে। 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত