২৮ মে, ২০১৬ ১০:৫১
পঞ্চম ধাপে সিলেট বিভাগের ১১ উপজেলায় ৮৫ টি ইউনিয়নে সহ সারাদেশের ৪৪ জেলার ৮৬ উপজেলার ৭২০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট-গ্রহণ শুরু হয়েছে। এসব ইউপিতে ১ কোটি ১০ লাখের কিছু বেশি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
আগের চারধাপে ব্যাপক অনিয়ম সহিংসতার পর এবার পঞ্চম ধাপের এ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে মোতায়েন রয়েছে দেড় লাখ পুলিশ, আনসার, র্যাব ও আধাসামরিক বাহিনী বিজিবি সদস্য।
শনিবার (২৮ মে) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া এ ভোট-গ্রহণ চলবে টানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
পঞ্চমধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সিলেটের ১১টি উপজেলায় ৮৫টি ইউনিয়নে ৮২৪টি কেন্দ্রে ভোট-গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ঝুঁকিপূর্ণ বা অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে সিলেটে ১০৫, মৌলভীবাজারে ১৩০, হবিগঞ্জে ২১৭ এবং সুনামগঞ্জে ১০৭টি।
নির্বাচন হতে যাওয়া উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে- সিলেটের বালাগঞ্জ, ওসমানী নগর, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ, হবিগঞ্জের লাখাই, নবীগঞ্জ, মাধবপুর ও বানিয়াচং, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর, দিরাই ও শাল্লা। এর মধ্যে বানিয়াচংয়ে শুধু একটি ইউনিয়নে (সুজাতপুর) নির্বাচন হচ্ছে। এছাড়া সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে দু’টিতে নির্বাচন হচ্ছে না।
সারাদেশের নির্বাচনে ৭২০ ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ২৫৪। সাধারণ সদস্য পদে ২৭ হাজারের বেশি ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৭ হাজারের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে ১৫ রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭২৭ এবং ১ হাজার ৫২২ লড়ছেন স্বতন্ত্র হিসেবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছে ৭২৬ ইউপিতে, ৬২৯ ইউপিতে রয়েছে বিএনপির প্রার্থী।
এছাড়া জাতীয় পার্টি ১৭৭, জাসদ ২১, বিকল্পধারা ২, ওয়ার্কার্স পার্টি ১৩, ইসলামী আন্দোলন ১২২, জেপি ২, ইসলামী ফ্রন্ট ১১, এলডিপি ৬, সিপিবি ৫, জেএসডি ১, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ৬, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ৭ প্রার্থী দিয়েছে।
ভোটের তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন কারণে এ পর্যন্ত ১৪ ইউপিতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করছে নির্বাচন কমিশন। আগের মতো পঞ্চম ধাপেও চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ৪২ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথম ধাপে বিনাভোটে দলের ৫৪, দ্বিতীয় ধাপে ৩৪, তৃতীয় ধাপে ২৯ এবং চতুর্থ ধাপে ৩৫ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে ১৯৩ প্রার্থী জয় পেয়েছে ভোট ছাড়াই।
আপনার মন্তব্য