৩১ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৩৪
২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বার্ষিক নীতিমালা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রোববার (৩১ জুলাই) এ নীতিমালা ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।
নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে শস্য /ফসল চাষের জন্য সর্বোচ্চ আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের ক্ষেত্রে সিআইবি রিপোর্টিং ও সিআইবি ইনকোয়্যারির (অনুসন্ধান) প্রয়োজন পড়বে না।
এখন থেকে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কৃষিঋণ বিতরণ করা যাবে। তবে এজেন্টরা গ্রাহকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ (ভ্যাটসহ) আদায় করতে পারবে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আম-লিচুর পাশাপাশি পেয়ারা উৎপাদনে সারা বছর ঋণ পাবে কৃষকরা।
দেশের সব বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে তাদের কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ বাধ্যতামূলকভাবে নিজস্ব শাখা বা এজেন্টের মাধ্যমে বিতরণ করতে হবে।
গত অর্থবছরে ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ১৩৪ জনের মাঝে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করা হয়েছে, যার পরিমাণ ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা; যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১০৮ শতাংশ।
ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী বলেন, দেশের ৫৫টি ব্যাংকের মধ্যে ৪৫টি গত অর্থবছর কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পেরেছে।
দশটি ব্যাংক তাদের লক্ষ্যমাত্রা থেকে যে পরিমাণ অর্থ পিছিয়ে আছে, সেই পরিমাণ টাকা তাদের কাছ থেকে কেটে রাখা হয়েছে। পরবর্তী বছর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করলে সেই অর্থ তাদের ফেরত দেওয়া হবে বলে এস কে সুর জানান।
পল্লীঋণ নীতিমালা
এস কে সুর চৌধুরী জানান, বিদেশি ব্যাংকগুলো কৃষি ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সহায়তা নিতে পারে। তাতে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে গ্রামগঞ্জে তাদের নতুন শাখা খোলার প্রয়োজন হবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম মিলনায়তনে কৃষি ও পল্লীঋণ কার্যক্রম ও নীতিমালা ঘোষণার এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা ও বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মন্তব্য