০৮ আগস্ট, ২০১৬ ১৩:৩২
গুলশানের হোলি আর্টিজেন রেস্তুরায় হামলায় অংশ নেয়া ৫ জঙ্গির সাথে হেঁটে পয়েন্ট পর্যন্ত এসে তাদের সাফল্য কামনা করে বিদায় নিয়েছিল জঙ্গি নেতা তামিম চৌধুরী। একইভাবে শোলাকিয়ায় হামলার দিনও সঙ্গি জঙ্গিদের সাথে নিয়ে সব বুঝিয়ে সরে পড়ে তামিম।
দেশের শীর্ষ স্থানীয় ইংরেজি দৈনিক দ্যা ডেইলি স্টারকে এমনটাই জানিয়েছেন ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের গোয়েন্দারা।
তারা জানান, তামিম গুলশান হামলার আগে বসুন্ধরা এলাকার ই-ব্লকের ৬ নম্বর রোডের একটি বাসায় লুকিয়েছিল। এখানেই সমস্ত বৈঠক হত।
আরেকজন তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জঙ্গিরা ঠিক করেছিল যদি কোন চেকপয়েন্টে তারা সেদিন বাধার সম্মুখিন হয় তবে ২জন পুলিশের সাথে একশনে গিয়ে বাকি তিনজন হোলি আর্টিজেনে দখল নিবে।
এরপরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানে হামলার পরিকল্পনা বুঝিয়ে দিতে সঙ্গি জঙ্গিদের নিয়ে কিশোরগঞ্জ গিয়েছিল তামিম। হামলার আধাঘন্টা আগে সে সব কিছু ব্রিফ করে কিশোরগঞ্জ ত্যাগ করে বলে জানতে পেরেছেন বলে জানান র্যাবের গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক লে. কর্নেল মোঃ আবুল কালাম আজাদ।
এই দুই তথ্য জানার পর তামিম চৌধুরীর উপর সব স্পটলাইট ফেলে তদন্ত কাজ এগোচ্ছে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে তামিম ও বহিষ্কৃর মেজর জিয়াউল হককে ধরিয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা ঘোষণা করেছে পুলিশ। তামিম ও জিয়া দেশেই থাকতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
পুলিশের তদন্তে বের হয় কল্যানপুরের আস্তানার জঙ্গিদের গুরুও এই তামিম। কল্যানপুর অভিযানের পর তামিমকে আসামী করে মামলাও দিয়েছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম রোববার সাংবাদিকদের জানান, গুলশান হামলার প্রশিক্ষণদাতা, অর্থ যোগানদাতাদের চিহ্নিত করতে পেরেছেন তারা। শীঘ্রই এই ঘটনার সব উদঘটিত হবে।
সূত্র: দ্যা ডেইলি স্টার
আপনার মন্তব্য