১১ আগস্ট, ২০১৬ ১৫:১৭
আগামী ঈদুল আজহার পশু কোরবানির জন্য ১১টি সিটি করপোরেশনে ২৯৪৩টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে 'নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশু জবাই ও দ্রুত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন' সভার শুরুতে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক এ তথ্য জানান।
স্থানীয় সরকার সচিব বলেন, আসন্ন কোরবানি ঈদে ১১ সিটি করপোরেশনে ২৯৪৩টি পশু জবাইয়ের স্থান, জবাইয়ের জন্য ৪৮৮৫ জন ইমাম ও মাংস প্রক্রিয়ার জন্য ১২ হাজার ৬৩৮ জন কসাই নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের ৩২৫টি পৌরসভা আছে। সেখানে আরো বেশি কোরবানি হবে। সে তালিকা অসম্পূর্ণ রয়েছে। তা আমরা ঠিক করব।
সচিব বলেন, এবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য কোরবানিদাতার সংখ্যা এক লাখ এক হাজার ৪১০ জন, কোরবানির জন্য সম্ভাব্য পশুর সংখ্যাও এক লাখ এক হাজার ৪১০টি। দক্ষিণে ৫৬৭টি পশু জবাইয়ের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া পশু জবাইয়ের জন্য ৭৮৫ জন ইমাম ও মাংস প্রক্রিয়ার জন্য ৪৮৪ জন কসাই থাকবেন।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে সম্ভাব্য কোরবানিদাতার সংখ্যা ২ লাখ, কোরবানির জন্য সম্ভাব্য পশুর সংখ্যা ২ লাখ ৬০ হাজার। দক্ষিণে ৫৮৩টি পশু জবাইয়ের স্থান, ৮৯৩ জন ইমাম ও ৪৫৪ জন কসাই নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত স্থান ছাড়া পশু জবাই করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও সভায় আলোচনা হবে বলে সভা সূত্রে জানা গেছে। সভায় সবাই একমত হলে এ বছর থেকেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন উপস্থিত রয়েছেন।
আপনার মন্তব্য