নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ আগস্ট, ২০১৬ ১২:২৭

অভিযান টের পেয়ে আস্তানায় আগুন দেয় জঙ্গিরা, পুড়িয়ে ফেলে নথিপত্র

প্রশাসনসহ দেশবাসীর ধারণা ছিলো বাংলাদেশে বিভিন্ন জঙ্গি হামলার ‘মাস্টার মাইন্ড’ তামিম আহমেদ চৌধুরীকে আটক করতে পারলে বেরিয়ে আসবে এদেশে জঙ্গি কার্যক্রমের বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

কিন্তু তামিমকে জীবিত আটক করা সম্ভব হয়নি। শনিবার (২৭ আগস্ট) ভোরে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের ‘অপারেশন হিট স্টর্ম’ নামক অভিযানে আরো ২ জঙ্গিসহ নিহত হয়েছেন এদেশে জঙ্গিবাদ বিস্তারের ‘মাস্টার মাইন্ড’ তামিম।

শুধু তাই নয়, পুলিশের অভিযান টের পেয়েই ‘জঙ্গি আস্তানা’য় আগুন ধরিয়ে দেয় ভেতরে অবস্থানরত জঙ্গিরা। পুড়িয়ে ফেলেছে নিজেদের অনেক নথিপত্র।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, “অভিযান শুরুর পর জঙ্গিরা বাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, তারা নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলেছে।”

কানাডাপ্রবাসী বাংলাদেশি তামিম গুলশান হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বলে পুলিশ দাবি করে আসছে। তিনি বাংলাদেশে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

কানাডার পাসপোর্টধারী তামিম ২০১৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশে আসার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন বলে গত ২ অগাস্ট জানিয়েছিলো পুলিশ।

শনিবারের অভিযানে নিহত তামিমকে মনে করা হয় ‘নিউ জেএমবি’ এর প্রতিষ্ঠাতা। আইজিপি শহীদুল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, “এই হামলার (গুলশান হামলা) মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরী। নিউ জেএমবির নেতৃত্ব সে দিচ্ছে। এই তামিম চৌধুরীর পর যারা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রধান তাদেরকেও আমরা চিহ্নিত করেছি।”

তামিম সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের বড়গ্রামের প্রয়াত আব্দুল মজিদ চৌধুরীর নাতি। আব্দুল মজিদ চৌধুরী একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত