সিলেটটুডে ডেস্ক

০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৯:১৭

আদ-দ্বীন হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন বাবুল আক্তার

১ নভেম্বর থেকে নতুন চাকরিতে যোগ দিয়েছেন সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার। তিনি রাজধানীর বেসরকারি আদ-দ্বীন হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। রোববার (৪ নভেম্বর) বাবুল আক্তারের শ্বশুর মোশাররফ হোসেনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে এনটিভি অনলাইন।

মোশাররফ হোসেন জানান, গত ১ নভেম্বর থেকে এই হাসপাতালে বাবুল আক্তার অফিস করছেন নিয়মিত। তবে হাসপাতালটির কোন শাখায় বাবুল আক্তার কাজ শুরু করেছেন সে সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি তিনি।

গত ৬ সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, এসপি বাবুল আক্তারকে (২৪তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে যোগদানকৃত, বিপি-৭৫০৫১০৯০২৯) তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

চট্টগ্রামে মহানগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন ওআর নিজাম রোডের বাসার কাছে ৫ জুন সকালে শিশুসন্তানের সামনে গুলি ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে। সেদিন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ের দিকে যাওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মিতু হত্যা নিয়ে নানা রহস্য ঘুরপাক খেতে শুরু করে। বিশেষ করে তদন্তের একপর্যায়ে ঘটনার তিন সপ্তাহ পর এসপি বাবুলকে ডিবি অফিসে নিয়ে টানা ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় ‘স্ত্রী হত্যায় জড়িত থাকায় বাবুলকে বরখাস্ত করা হয়েছে’ এবং ‘এসপি বাবুল পদত্যাগ করেছেন’ বলে কয়েকটি গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করে। কিন্তু সে সময় এমন খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দেন আইজিপি মো. শহীদুল হক। সর্বশেষ ২১ জুলাই আইজিপি গণমাধ্যমকে বলেছিলেন ‘বাবুল আক্তার এখনও চাকরিতে বহাল আছেন।’

মিতু হত্যাকাণ্ডের পর এসপি বাবুল তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঢাকার রামপুরা মেরাদিয়ায় তার শ্বশুর বাড়িতে থাকছেন। বাংলাদেশ পুলিশের ২৪তম ব্যাচের বিসিএস কর্মকর্তা বাবুল আক্তার ২০০৫ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। ২০১৫ সালে চট্টগ্রামে পাঁচ জঙ্গিকে গ্রেফতার করে প্রশংসিত হন তৎকালীন এডিসি বাবুল আক্তার।

 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত