১১ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৪:২০
সারা দেশে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলা সদরে একই নকশায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স স্থাপন প্রকল্প অনুমোদন হবে। এমনটাই জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। তিনি আরো বলেন, আমরা এখন দরিদ্র পরিচয় মুছে সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে বিশ্ব সভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছি। আমাদের এই অগ্রযাত্রাকে রুখে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধাদের এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে এগিয়ে আসতে হবে।
শনিবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার বিজয় মঞ্চে অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও স্বার্থ সংরক্ষণে শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করছেন। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই সম্পন্ন হবে এবং প্রতিটি জেলা সদরে একই নকশায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের অনুমোদন হবে।
তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম থেকে শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা দুঃসময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও শক্তি যুগিয়েছে। মহিউদ্দিন চৌধুরী এই সাহস ও প্রেরণার রূপকার। আমি মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন জানাই।
তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা হতাশ হবেন না। শেখ হাসিনা জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তিনি তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়ন ও প্রগতির রোল মডেল।
মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, আজকে বাংলাদেশে একটি মানুষও না খেয়ে নেই। তাদের আশ্রয় ও মাথা গোজার স্থান নিশ্চিত হয়েছে। যারা ষড়যন্ত্র করছেন তাদের মোকাবেলায় মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা অগ্রবর্তী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এজন্য উদ্যোক্তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি প্রত্যাশা করি চট্টগ্রামের অগ্রগতি ও উন্নয়নের যে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে তার যথার্থ সদ্বব্যবহার হবে। কোন রকম দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি হলে সকলে সম্মিলিত ভাবে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমেদের সভাপতিত্বে ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব মোহাম্মদ ইউনুছ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজয় মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন রাশেদ, মেলা পরিষদ এর কো-চেয়ারম্যান এম এ মনছুর, কমান্ডার নুরউদ্দিন, খোরশেদ আলম, কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
পরে বিজয় মঞ্চে শেখ শহিদুল আনোয়ার ও তপন বড়ুয়ার পরিচালনায় উদ্দীপনামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
আপনার মন্তব্য