সিলেটটুডে ডেস্ক

০৮ জানুয়ারি, ২০১৭ ১৯:২৩

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে ত্রুটি: ৭ আসামীর জামিন নাকচ, কারাগারে প্রেরণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত সাত আসামির রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক মাহবুব আলম আসামিদের আটদিনের রিমান্ড শেষে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। জামিনের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আমিরুল হায়দার চৌধুরী আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামিরা হলেন বিমানের প্রধান প্রকৌশলী (প্রডাকশন) দেবেশ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী (মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড সিস্টেম কন্ট্রোল) বিল্লাল হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স) ছিদ্দিক, সামিউল হক, লুৎফুর রহমান, মিলন চন্দ্র বিশ্বাস ও জাকির হোসাইন।

গত ৩০ ডিসেম্বর আসামিদের দ্বিতীয় দফায় আটদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। এর আগে ২২ ডিসেম্বর এ আসামিদের সাতদিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। এ নিয়ে আসামিদের ১৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

এ মামলায় আরো দুই আসামি রিমান্ডে আছেন। তাঁরা হলেন ছিদ্দিকুর রহমান ও টেকনিশিয়ান রোকনুজ্জামান।

গত ২০ ডিসেম্বর রাতে বাংলাদেশ বিমানের প্রধান প্রকৌশলীসহ নয়জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। পরে ২১ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে সাত আসামিকে আটক করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।

নথি থেকে জানা যায়, গত ২৭ নভেম্বর হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে তা তুর্কমেনিস্তানের আশখাবাদে জরুরি অবতরণ করে। সেখানে ত্রুটি সারিয়ে চার ঘণ্টা পর বুদাপেস্টের উদ্দেশে যায় বিমান।

ওই উড়োজাহাজের ইঞ্জিন অয়েলের ট্যাংকের একটি নাট ঢিলে হওয়ার পেছনে নাশকতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে ২৮ নভেম্বর পাঁচ সদস্যের কমিটি করে বিমান মন্ত্রণালয়।

ঘটনা তদন্তে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) আরো দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এই দুই কমিটি এরই মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিয়েছে। এরই মধ্যে মামলার আসামিদের বরখাস্ত করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত