১১ ফেব্রুয়ারি , ২০১৭ ২১:২৩
'আমি বিশ্ব ব্যাংক ও বাংলাদেশি কয়েকটি স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। পদ্মা সেতু নির্মাণে মিথ্যা অভিযোগে আমাকে, আমার পরিবারকে হেনস্থা করা হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রে পদ্মা সেতু নির্মাণের স্বার্থে আমাকে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়েছে। আমাকে জনগণের কাছে ছোট হতে হয়েছে। কানাডায় আমার জামাতার ব্যাংক হিসাব চেক করা হয়েছে। ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনসহ আমার সব ব্যাংক একাউন্ট তদন্ত করা হয়েছে।'
কানাডার একটি আদালতে পদ্মা সেতু থেকে দুর্নীতি মামলা থেকে এসএনসি-লাভালিনের তিন কর্মকর্তাকে অব্যাহতির রায়ের পর পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেছেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন।
কয়েকটি গণমাধ্যমে সেসময়ে তার বিরুদ্ধে প্রচারণার সমালোচনা করে তিনি বলেন, 'যেসব মিডিয়ার মিথ্যা রিপোর্টে, অতিশয় বাড়াবাড়ি লেখা, কার্টুন প্রকাশ, সম্পাদকীয়-উপ সম্পাদকীয়তে আমাকে অভিযুক্ত করা হলো, মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা হলো, তাদের আজকের জবাব কী?'
এমনকি চীনের একটি আন্তর্জাতিক ফোরামে বিশ্ব ব্যাংকের তৎকালীন প্রেসিডেন্টও তার কাছে পদ্মা সেতু নিয়ে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের কথা জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন বলে দাবি করে আবুল হোসেন বলেন, 'আমি বুঝতে পারছি, পদ্মা সেতু ও আপনি ষড়যন্ত্রের শিকার। বিশ্ব ব্যাংকের কর্মকর্তারা বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও বিশিষ্ট কতিপয় লোকের কথায় প্রভাবিত হয়েছেন। এজন্য আমি অনুতপ্ত।'
প্রসঙ্গত, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ খারিজ করে কানাডার আদালত বলেছে, এই মামলায় কোনো প্রমাণ হাজির করা হয়নি। প্রমাণ হিসেবে যেগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে, সেগুলো 'অনুমানভিত্তিক, গাল-গল্প ও গুজবের বেশি কিছু নয়'।
আপনার মন্তব্য